ঢাকা ০২:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
খুলনা আর্ট একাডেমির ঐতিহ্য সংরক্ষণশালায় শিক্ষার্থী চারুলতা ঢালীর অনন্য উপহার গোয়াইনঘাটে বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রম মুক্ত উপজেলা গঠনে অগ্রগতি সহভাগিতা সভা অনুষ্ঠিত কবিতাঃ যাত্রাপথে আতঙ্ক গোয়াইনঘাটে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন: জমি রক্ষায় দুই গ্রামবাসীর মানববন্ধন খুলনা আর্ট একাডেমির শিক্ষার্থী সপ্তসী রায় জন্মাষ্টমীর চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় সাফল্য অর্জন রাসুল (সা.)সুন্নাহ অনুসরণেই দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ নিহিত- সীরতুন্নবী মাহফিলের ১৬তম দিবসে বক্তারা তফসিলের আগেই দৌড়ঝাঁপ:ক্ষেতলাল, বড়াইলের চেয়ারম্যান হতে গ্রামবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন মুর্শিদ খুলনা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের নবাগত উপপরিচালকের সঙ্গে সিইউসি পরিবারের সৌজন্য সাক্ষাৎ চারুকলায় অবদানের স্বীকৃতি: গুণীজন সম্মাননা পেলেন চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস অডিট আপত্তি মানেই দুর্নীতি নয়, বাংলাদেশ রেলওয়ে সোসাইটি

আলহাজ্ব আব্দুল হাই হাওলাদার: একজন সফল ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও দ্বীনের খাদেম

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৩:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬ ৩২৫ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৩৭৫

 

লেখকঃ মোঃ নুর ইসলাম মৃধা (এম এ,এলএল বি,এল এইচ এম পি)

 

পটুয়াখালীর ব্যবসায়ী সমাজ ও মানবসেবার অঙ্গনে শ্রদ্ধার সঙ্গে উচ্চারিত একটি নাম আলহাজ্ব আব্দুল হাই হাওলাদার। সততা, পরিশ্রম, ধর্মীয় অনুরাগ এবং সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন। একজন সফল উদ্যোক্তার পাশাপাশি তিনি একজন মানবিক, দানশীল ও ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি হিসেবে সুপরিচিত।

আলহাজ্ব আব্দুল হাই হাওলাদার ১৯৫৭ সালের ১২ এপ্রিল পটুয়াখালী জেলার পটুয়াখালী সদর উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের পূর্ব হেতালিয়া গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ছিলেন মরহুম আলহাজ্ব ইসমাঈল হাওলাদার এবং মাতা ছিলেন মরহুমা আসিয়া বেগম। পারিবারিকভাবে তিনি ধর্মীয় মূল্যবোধ, সততা, ন্যায়নিষ্ঠা ও মানবসেবার শিক্ষা লাভ করেন, যা পরবর্তী জীবনে তাঁর ব্যক্তিত্ব ও কর্মজীবনের ভিত্তি গড়ে দেয়।

বর্তমানে তাঁর স্থায়ী ঠিকানা পূর্ব হেতালিয়া, কালিকাপুর, পটুয়াখালী সদর, পটুয়াখালী। তিনি বর্তমানে পটুয়াখালী পৌরসভার কলেজ রোডের ফাহিম ভিলায় বসবাস করছেন।

ব্যবসায়িক জীবনে আলহাজ্ব আব্দুল হাই হাওলাদার মেসার্স ফাহিম ব্রিকস-এর স্বত্বাধিকারী হিসেবে সুপরিচিত। দীর্ঘদিনের শ্রম, সততা ও ব্যবসায়িক দক্ষতার মাধ্যমে তিনি প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন। তাঁর ব্যবসায়িক নীতির মূল ভিত্তি হলো সততা, গুণগত মান বজায় রাখা এবং মানুষের আস্থা অর্জন করা।

ধর্মীয় জীবনেও তিনি অত্যন্ত নিবেদিতপ্রাণ। তিনি নিজামুদ্দিন মারকাজের তাবলীগের কার্যক্রমকে ভালোবাসেন এবং দ্বীনি দাওয়াতের কাজে আন্তরিকভাবে সম্পৃক্ত থাকেন। ইসলামের শিক্ষা ও আদর্শ প্রচারে তাঁর আগ্রহ এবং ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ তাঁকে সমাজে একজন ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

সমাজসেবার ক্ষেত্রেও তাঁর অবদান প্রশংসনীয়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে উদারভাবে আর্থিক সহযোগিতা করে আসছেন। পাশাপাশি অসহায়, দরিদ্র ও হতদরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোকে তিনি নিজের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব মনে করেন। নীরবে-নিভৃতে বহু মানুষের চিকিৎসা, শিক্ষা ও দৈনন্দিন প্রয়োজন পূরণে তিনি সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।

আলহাজ্ব আব্দুল হাই হাওলাদারের জীবন আমাদের শেখায় যে, সততা, পরিশ্রম, ধর্মীয় অনুশাসন ও মানবসেবা একজন মানুষকে সমাজে সম্মানিত অবস্থানে নিয়ে যেতে পারে। ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি মানবকল্যাণে তাঁর নিরলস অবদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

সমাজের একজন দায়িত্বশীল নাগরিক, সফল ব্যবসায়ী ও মানবপ্রেমী হিসেবে আলহাজ্ব আব্দুল হাই হাওলাদার তাঁর কর্ম, আদর্শ ও মানবিক গুণাবলীর মাধ্যমে পটুয়াখালীবাসীর হৃদয়ে একটি সম্মানজনক স্থান করে নিয়েছেন। তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতা কামনা করেন এলাকাবাসী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আলহাজ্ব আব্দুল হাই হাওলাদার: একজন সফল ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও দ্বীনের খাদেম

আপডেট সময় : ০৪:৫৩:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
৩৭৫

 

লেখকঃ মোঃ নুর ইসলাম মৃধা (এম এ,এলএল বি,এল এইচ এম পি)

 

পটুয়াখালীর ব্যবসায়ী সমাজ ও মানবসেবার অঙ্গনে শ্রদ্ধার সঙ্গে উচ্চারিত একটি নাম আলহাজ্ব আব্দুল হাই হাওলাদার। সততা, পরিশ্রম, ধর্মীয় অনুরাগ এবং সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন। একজন সফল উদ্যোক্তার পাশাপাশি তিনি একজন মানবিক, দানশীল ও ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি হিসেবে সুপরিচিত।

আলহাজ্ব আব্দুল হাই হাওলাদার ১৯৫৭ সালের ১২ এপ্রিল পটুয়াখালী জেলার পটুয়াখালী সদর উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের পূর্ব হেতালিয়া গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ছিলেন মরহুম আলহাজ্ব ইসমাঈল হাওলাদার এবং মাতা ছিলেন মরহুমা আসিয়া বেগম। পারিবারিকভাবে তিনি ধর্মীয় মূল্যবোধ, সততা, ন্যায়নিষ্ঠা ও মানবসেবার শিক্ষা লাভ করেন, যা পরবর্তী জীবনে তাঁর ব্যক্তিত্ব ও কর্মজীবনের ভিত্তি গড়ে দেয়।

বর্তমানে তাঁর স্থায়ী ঠিকানা পূর্ব হেতালিয়া, কালিকাপুর, পটুয়াখালী সদর, পটুয়াখালী। তিনি বর্তমানে পটুয়াখালী পৌরসভার কলেজ রোডের ফাহিম ভিলায় বসবাস করছেন।

ব্যবসায়িক জীবনে আলহাজ্ব আব্দুল হাই হাওলাদার মেসার্স ফাহিম ব্রিকস-এর স্বত্বাধিকারী হিসেবে সুপরিচিত। দীর্ঘদিনের শ্রম, সততা ও ব্যবসায়িক দক্ষতার মাধ্যমে তিনি প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন। তাঁর ব্যবসায়িক নীতির মূল ভিত্তি হলো সততা, গুণগত মান বজায় রাখা এবং মানুষের আস্থা অর্জন করা।

ধর্মীয় জীবনেও তিনি অত্যন্ত নিবেদিতপ্রাণ। তিনি নিজামুদ্দিন মারকাজের তাবলীগের কার্যক্রমকে ভালোবাসেন এবং দ্বীনি দাওয়াতের কাজে আন্তরিকভাবে সম্পৃক্ত থাকেন। ইসলামের শিক্ষা ও আদর্শ প্রচারে তাঁর আগ্রহ এবং ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ তাঁকে সমাজে একজন ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

সমাজসেবার ক্ষেত্রেও তাঁর অবদান প্রশংসনীয়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে উদারভাবে আর্থিক সহযোগিতা করে আসছেন। পাশাপাশি অসহায়, দরিদ্র ও হতদরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোকে তিনি নিজের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব মনে করেন। নীরবে-নিভৃতে বহু মানুষের চিকিৎসা, শিক্ষা ও দৈনন্দিন প্রয়োজন পূরণে তিনি সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।

আলহাজ্ব আব্দুল হাই হাওলাদারের জীবন আমাদের শেখায় যে, সততা, পরিশ্রম, ধর্মীয় অনুশাসন ও মানবসেবা একজন মানুষকে সমাজে সম্মানিত অবস্থানে নিয়ে যেতে পারে। ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি মানবকল্যাণে তাঁর নিরলস অবদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

সমাজের একজন দায়িত্বশীল নাগরিক, সফল ব্যবসায়ী ও মানবপ্রেমী হিসেবে আলহাজ্ব আব্দুল হাই হাওলাদার তাঁর কর্ম, আদর্শ ও মানবিক গুণাবলীর মাধ্যমে পটুয়াখালীবাসীর হৃদয়ে একটি সম্মানজনক স্থান করে নিয়েছেন। তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতা কামনা করেন এলাকাবাসী।