ঢাকা ০১:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
খুলনা আর্ট একাডেমির ঐতিহ্য সংরক্ষণশালায় শিক্ষার্থী চারুলতা ঢালীর অনন্য উপহার গোয়াইনঘাটে বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রম মুক্ত উপজেলা গঠনে অগ্রগতি সহভাগিতা সভা অনুষ্ঠিত কবিতাঃ যাত্রাপথে আতঙ্ক গোয়াইনঘাটে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন: জমি রক্ষায় দুই গ্রামবাসীর মানববন্ধন খুলনা আর্ট একাডেমির শিক্ষার্থী সপ্তসী রায় জন্মাষ্টমীর চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় সাফল্য অর্জন রাসুল (সা.)সুন্নাহ অনুসরণেই দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ নিহিত- সীরতুন্নবী মাহফিলের ১৬তম দিবসে বক্তারা তফসিলের আগেই দৌড়ঝাঁপ:ক্ষেতলাল, বড়াইলের চেয়ারম্যান হতে গ্রামবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন মুর্শিদ খুলনা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের নবাগত উপপরিচালকের সঙ্গে সিইউসি পরিবারের সৌজন্য সাক্ষাৎ চারুকলায় অবদানের স্বীকৃতি: গুণীজন সম্মাননা পেলেন চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস অডিট আপত্তি মানেই দুর্নীতি নয়, বাংলাদেশ রেলওয়ে সোসাইটি

‘চার দশকের রাজনীতি, আন্দোলন-সংগ্রামের পরীক্ষিত নেতৃত্ব’— পটুয়াখালী জেলা যুবদলের সভাপতি পদে তৃণমূলের আস্থার প্রতীক অ্যাডভোকেট মো. রুহুল আমিন রেজা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫১:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ৪৪২ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৪৯৮

 

মোঃ নুর ইসলাম মৃধা:

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল (যুবদল) পটুয়াখালী জেলা শাখার নতুন কমিটি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। দীর্ঘদিন পর পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের সম্ভাবনায় নেতাকর্মীদের মধ্যে যেমন উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে, তেমনি সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে সম্ভাব্য নেতৃত্ব নিয়েও চলছে নানা হিসাব-নিকাশ। এরই মধ্যে সভাপতি পদে সবচেয়ে বেশি আলোচিত নামগুলোর অন্যতম সদ্য সাবেক জেলা যুবদলের ১ নম্বর সহ-সভাপতি এবং পটুয়াখালী স্পেশাল দায়রা জজ আদালতের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. রুহুল আমিন রেজা।

দলীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা, আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা এবং তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগের কারণে তিনি সভাপতি পদের একজন শক্তিশালী দাবিদার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যেও তাকে নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

রাজনৈতিক সূত্রে জানা যায়, অ্যাডভোকেট মো. রুহুল আমিন রেজার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় ১৯৮৪ সালে। সে সময় তিনি পটুয়াখালী সদর উপজেলার বৃহত্তর কমলাপুর (বর্তমানে ভুরিয়া ও কমলাপুর ইউনিয়ন) ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি নির্বাচিত হন। ছাত্ররাজনীতিতে সফল নেতৃত্বের পর ১৯৮৮ সালে কমলাপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি এবং ১৯৯০ সালে কমলাপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

পরবর্তীতে ১৯৯৩ সালে তিনি পটুয়াখালী জেলা যুবদলের দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৭ সাল এবং পুনরায় ২০০১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত পটুয়াখালী সদর থানা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১১ সালে সদর থানা যুবদলের আহ্বায়ক এবং পরে জেলা যুবদলের ১ নম্বর সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

দলীয় সূত্রে আরও জানা যায়, সাংগঠনিক দক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় কলাপাড়া থানা যুবদল, কলাপাড়া পৌর যুবদল, মহিপুর থানা যুবদল এবং কুয়াকাটা পৌর যুবদলের সম্মেলন আয়োজন ও কমিটি গঠনে টিম লিডারের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ওই সম্মেলনগুলোতে ভোটের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচন হওয়ায় তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া পড়ে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নেতৃত্ব নির্বাচনের উদাহরণ হিসেবে বিষয়টি দলীয় অঙ্গনে প্রশংসিত হয়।

শিক্ষাজীবনে তিনি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে কামিল এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ ও এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। প্রায় ২৬ বছর ধরে পটুয়াখালী জেলা আইনজীবী সমিতিতে আইন পেশায় সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বর্তমানে তিনি পটুয়াখালী স্পেশাল দায়রা জজ আদালতের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তার ঘনিষ্ঠ নেতাকর্মীদের দাবি, বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালনের কারণে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক চাপের মুখে পড়েন। তার বাড়ি, পারিবারিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও আইনজীবী চেম্বারে একাধিকবার হামলার ঘটনাও ঘটেছে বলে তারা অভিযোগ করেন। পাশাপাশি দলীয় আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকার কারণে বিভিন্ন রাজনৈতিক মামলায় হয়রানির শিকার হয়েছেন বলেও দাবি করেন নেতাকর্মীরা।

দলীয় নেতারা আরও বলেন, ২০০০ সাল থেকে দীর্ঘ সময় ধরে তিনি বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের অসংখ্য নেতাকর্মীর রাজনৈতিক মামলা বিনা পারিশ্রমিকে অথবা নিজস্ব অর্থ ব্যয়ে পরিচালনা করেছেন। এছাড়া অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা রেখে চলেছেন বলে স্থানীয়দের অনেকেই মন্তব্য করেছেন।

জেলা যুবদলের তৃণমূল পর্যায়ের কয়েকজন নেতা-কর্মী বলেন, “অ্যাডভোকেট মো. রুহুল আমিন রেজা দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত, ত্যাগী ও সাংগঠনিকভাবে দক্ষ নেতা। তিনি সভাপতি নির্বাচিত হলে জেলা যুবদল আরও শক্তিশালী, গতিশীল ও সুসংগঠিত হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। সন্ত্রাস, মাদক ও দলীয় বিশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে তিনি সবসময় কঠোর অবস্থানে ছিলেন। তাই নতুন কমিটিতে তাকে সভাপতি হিসেবে দেখতে চাই।”

তবে জেলা যুবদলের নতুন কমিটি কিংবা সভাপতি পদে কে দায়িত্ব পাচ্ছেন, সে বিষয়ে কেন্দ্রীয় যুবদলের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। ফলে নতুন নেতৃত্বকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা, জল্পনা-কল্পনা এবং নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা দিন দিন আরও বাড়ছে।

উল্লেখ্য, এই প্রতিবেদনে বর্ণিত বিভিন্ন মূল্যায়ন, দাবি ও প্রত্যাশা সংশ্লিষ্ট দলীয় নেতাকর্মী ও রাজনৈতিক সূত্রের বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপিত হয়েছে। জেলা যুবদলের নতুন কমিটি সম্পর্কে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত প্রকাশিত হওয়ার পরই বিষয়টি চূড়ান্তভাবে জানা যাবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

‘চার দশকের রাজনীতি, আন্দোলন-সংগ্রামের পরীক্ষিত নেতৃত্ব’— পটুয়াখালী জেলা যুবদলের সভাপতি পদে তৃণমূলের আস্থার প্রতীক অ্যাডভোকেট মো. রুহুল আমিন রেজা

আপডেট সময় : ০৩:৫১:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
৪৯৮

 

মোঃ নুর ইসলাম মৃধা:

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল (যুবদল) পটুয়াখালী জেলা শাখার নতুন কমিটি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। দীর্ঘদিন পর পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের সম্ভাবনায় নেতাকর্মীদের মধ্যে যেমন উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে, তেমনি সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে সম্ভাব্য নেতৃত্ব নিয়েও চলছে নানা হিসাব-নিকাশ। এরই মধ্যে সভাপতি পদে সবচেয়ে বেশি আলোচিত নামগুলোর অন্যতম সদ্য সাবেক জেলা যুবদলের ১ নম্বর সহ-সভাপতি এবং পটুয়াখালী স্পেশাল দায়রা জজ আদালতের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. রুহুল আমিন রেজা।

দলীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা, আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা এবং তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগের কারণে তিনি সভাপতি পদের একজন শক্তিশালী দাবিদার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যেও তাকে নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

রাজনৈতিক সূত্রে জানা যায়, অ্যাডভোকেট মো. রুহুল আমিন রেজার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় ১৯৮৪ সালে। সে সময় তিনি পটুয়াখালী সদর উপজেলার বৃহত্তর কমলাপুর (বর্তমানে ভুরিয়া ও কমলাপুর ইউনিয়ন) ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি নির্বাচিত হন। ছাত্ররাজনীতিতে সফল নেতৃত্বের পর ১৯৮৮ সালে কমলাপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি এবং ১৯৯০ সালে কমলাপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

পরবর্তীতে ১৯৯৩ সালে তিনি পটুয়াখালী জেলা যুবদলের দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৭ সাল এবং পুনরায় ২০০১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত পটুয়াখালী সদর থানা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১১ সালে সদর থানা যুবদলের আহ্বায়ক এবং পরে জেলা যুবদলের ১ নম্বর সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

দলীয় সূত্রে আরও জানা যায়, সাংগঠনিক দক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় কলাপাড়া থানা যুবদল, কলাপাড়া পৌর যুবদল, মহিপুর থানা যুবদল এবং কুয়াকাটা পৌর যুবদলের সম্মেলন আয়োজন ও কমিটি গঠনে টিম লিডারের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ওই সম্মেলনগুলোতে ভোটের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচন হওয়ায় তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া পড়ে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নেতৃত্ব নির্বাচনের উদাহরণ হিসেবে বিষয়টি দলীয় অঙ্গনে প্রশংসিত হয়।

শিক্ষাজীবনে তিনি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে কামিল এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ ও এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। প্রায় ২৬ বছর ধরে পটুয়াখালী জেলা আইনজীবী সমিতিতে আইন পেশায় সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বর্তমানে তিনি পটুয়াখালী স্পেশাল দায়রা জজ আদালতের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তার ঘনিষ্ঠ নেতাকর্মীদের দাবি, বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালনের কারণে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক চাপের মুখে পড়েন। তার বাড়ি, পারিবারিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও আইনজীবী চেম্বারে একাধিকবার হামলার ঘটনাও ঘটেছে বলে তারা অভিযোগ করেন। পাশাপাশি দলীয় আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকার কারণে বিভিন্ন রাজনৈতিক মামলায় হয়রানির শিকার হয়েছেন বলেও দাবি করেন নেতাকর্মীরা।

দলীয় নেতারা আরও বলেন, ২০০০ সাল থেকে দীর্ঘ সময় ধরে তিনি বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের অসংখ্য নেতাকর্মীর রাজনৈতিক মামলা বিনা পারিশ্রমিকে অথবা নিজস্ব অর্থ ব্যয়ে পরিচালনা করেছেন। এছাড়া অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা রেখে চলেছেন বলে স্থানীয়দের অনেকেই মন্তব্য করেছেন।

জেলা যুবদলের তৃণমূল পর্যায়ের কয়েকজন নেতা-কর্মী বলেন, “অ্যাডভোকেট মো. রুহুল আমিন রেজা দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত, ত্যাগী ও সাংগঠনিকভাবে দক্ষ নেতা। তিনি সভাপতি নির্বাচিত হলে জেলা যুবদল আরও শক্তিশালী, গতিশীল ও সুসংগঠিত হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। সন্ত্রাস, মাদক ও দলীয় বিশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে তিনি সবসময় কঠোর অবস্থানে ছিলেন। তাই নতুন কমিটিতে তাকে সভাপতি হিসেবে দেখতে চাই।”

তবে জেলা যুবদলের নতুন কমিটি কিংবা সভাপতি পদে কে দায়িত্ব পাচ্ছেন, সে বিষয়ে কেন্দ্রীয় যুবদলের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। ফলে নতুন নেতৃত্বকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা, জল্পনা-কল্পনা এবং নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা দিন দিন আরও বাড়ছে।

উল্লেখ্য, এই প্রতিবেদনে বর্ণিত বিভিন্ন মূল্যায়ন, দাবি ও প্রত্যাশা সংশ্লিষ্ট দলীয় নেতাকর্মী ও রাজনৈতিক সূত্রের বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপিত হয়েছে। জেলা যুবদলের নতুন কমিটি সম্পর্কে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত প্রকাশিত হওয়ার পরই বিষয়টি চূড়ান্তভাবে জানা যাবে।