ঢাকা ০৪:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
খুলনা আর্ট একাডেমির ঐতিহ্য সংরক্ষণশালায় শিক্ষার্থী চারুলতা ঢালীর অনন্য উপহার গোয়াইনঘাটে বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রম মুক্ত উপজেলা গঠনে অগ্রগতি সহভাগিতা সভা অনুষ্ঠিত কবিতাঃ যাত্রাপথে আতঙ্ক গোয়াইনঘাটে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন: জমি রক্ষায় দুই গ্রামবাসীর মানববন্ধন খুলনা আর্ট একাডেমির শিক্ষার্থী সপ্তসী রায় জন্মাষ্টমীর চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় সাফল্য অর্জন রাসুল (সা.)সুন্নাহ অনুসরণেই দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ নিহিত- সীরতুন্নবী মাহফিলের ১৬তম দিবসে বক্তারা তফসিলের আগেই দৌড়ঝাঁপ:ক্ষেতলাল, বড়াইলের চেয়ারম্যান হতে গ্রামবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন মুর্শিদ খুলনা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের নবাগত উপপরিচালকের সঙ্গে সিইউসি পরিবারের সৌজন্য সাক্ষাৎ চারুকলায় অবদানের স্বীকৃতি: গুণীজন সম্মাননা পেলেন চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস অডিট আপত্তি মানেই দুর্নীতি নয়, বাংলাদেশ রেলওয়ে সোসাইটি

একটি সাইকেল, এক তরুণের স্বপ্ন এবং বাংলাদেশের পথে ৬৪ জেলার গল্প

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৫২:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬ ৯৯ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
১১৪

 

চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস

একটি সাইকেল, বুকভরা স্বপ্ন আর প্রিয় মাতৃভূমিকে নতুন করে জানার অদম্য আকাঙ্ক্ষা এই তিনকে সঙ্গী করে পথ চলেছেন নেত্রকোনার মোহনগঞ্জের তরুণ আশরাফুল ইসলাম মুন্না। তাঁর স্বপ্ন বাংলাদেশের ৬৪টি জেলা সাইকেলে ঘুরে দেখা; প্রকৃতি, মানুষ, সংস্কৃতি ও ইতিহাসকে কাছ থেকে অনুভব করা।মোহনগঞ্জের রামজীবনপুর গ্রামের কৃষক পরিবারের সন্তান ২২ বছর বয়সী মুন্না। ২০২৪ সালে এইচএসসি পাস করার পর নিজের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে ২৬ জুন ২০২৬ শুরু করেন তাঁর সাইকেলযাত্রা। ইতোমধ্যে পাড়ি দিয়েছেন ৩১টি জেলা। দীর্ঘ পথ পেরিয়ে ২৬ আগস্ট তিনি পৌঁছান খুলনায়।খুলনায় এসে তাঁর পথচলার স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে ওঠে খুলনা আর্ট একাডেমি পরিদর্শন। সেখানে প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেন। তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয় একটি ডায়েরি ও কলম যেন পথের দেখা গল্পগুলো তিনি লিখে রাখতে পারেন।

মুন্নার কাছে এই যাত্রা নিছক ভ্রমণ নয়; এটি দেশকে অনুভব করার এক অভিনব সাধনা। প্রতিটি জেলা তাঁর কাছে বাংলাদেশের নতুন একটি অধ্যায়। কোথাও প্রকৃতির সৌন্দর্য, কোথাও মানুষের ভালোবাসা, কোথাও ইতিহাসের স্মৃতি সবকিছু তিনি নিজের চোখে দেখতে চান।

তিনি তরুণ সমাজের কাছেও একটি ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দিতে চান মাদক ও অনৈতিকতা থেকে দূরে থেকে দেশকে জানো, প্রকৃতিকে ভালোবাসো, মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলো।খুলনা আর্ট একাডেমিতে মুন্নার সঙ্গে দীর্ঘ সময় কথা বলেন চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস। তিনি বলেন, “বড় স্বপ্ন দেখার জন্য বিত্তবান পরিবারের সন্তান হতে হয় না। সাধারণ কৃষক পরিবারের একজন তরুণও দেশ ও সমাজের জন্য অনুপ্রেরণার গল্প তৈরি করতে পারে। মুন্না তার উজ্জ্বল উদাহরণ।”মুন্নার এই উদ্যোগকে রাষ্ট্রীয়ভাবে উৎসাহিত করারও আহ্বান জানান তিনি। তাঁর প্রত্যাশা, মুন্নার পথচলা দেখে আরও অনেক তরুণ সাইকেলের চাকা ঘুরিয়ে নিজের দেশকে নতুন করে আবিষ্কারের সাহস পাবে।৩১টি জেলা পেরিয়ে এখন মুন্নার সাইকেল ছুটছে বাকি জেলার পথে। একদিন বাংলাদেশের ৬৪ জেলা পেরিয়ে বিশ্বের পথেও পা রাখার স্বপ্ন দেখেন তিনি।একটি সাইকেলের চাকা ঘুরছে আর তার সঙ্গে ঘুরছে এক তরুণের স্বপ্ন। সেই স্বপ্নের প্রতিটি বাঁকে যেন লেখা হচ্ছে বাংলাদেশের প্রকৃতি, মানুষ, সংস্কৃতি ও ভালোবাসার নতুন গল্প।

শুভ হোক মুন্নার পথচলা।পূর্ণ হোক তাঁর ৬৪ জেলার স্বপ্ন।দেশকে জানুক তরুণ, দেশকে ভালোবাসুক তরুণ।

লেখক: চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস, প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, খুলনা আর্ট একাডেমি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

একটি সাইকেল, এক তরুণের স্বপ্ন এবং বাংলাদেশের পথে ৬৪ জেলার গল্প

আপডেট সময় : ১২:৫২:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
১১৪

 

চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস

একটি সাইকেল, বুকভরা স্বপ্ন আর প্রিয় মাতৃভূমিকে নতুন করে জানার অদম্য আকাঙ্ক্ষা এই তিনকে সঙ্গী করে পথ চলেছেন নেত্রকোনার মোহনগঞ্জের তরুণ আশরাফুল ইসলাম মুন্না। তাঁর স্বপ্ন বাংলাদেশের ৬৪টি জেলা সাইকেলে ঘুরে দেখা; প্রকৃতি, মানুষ, সংস্কৃতি ও ইতিহাসকে কাছ থেকে অনুভব করা।মোহনগঞ্জের রামজীবনপুর গ্রামের কৃষক পরিবারের সন্তান ২২ বছর বয়সী মুন্না। ২০২৪ সালে এইচএসসি পাস করার পর নিজের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে ২৬ জুন ২০২৬ শুরু করেন তাঁর সাইকেলযাত্রা। ইতোমধ্যে পাড়ি দিয়েছেন ৩১টি জেলা। দীর্ঘ পথ পেরিয়ে ২৬ আগস্ট তিনি পৌঁছান খুলনায়।খুলনায় এসে তাঁর পথচলার স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে ওঠে খুলনা আর্ট একাডেমি পরিদর্শন। সেখানে প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেন। তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয় একটি ডায়েরি ও কলম যেন পথের দেখা গল্পগুলো তিনি লিখে রাখতে পারেন।

মুন্নার কাছে এই যাত্রা নিছক ভ্রমণ নয়; এটি দেশকে অনুভব করার এক অভিনব সাধনা। প্রতিটি জেলা তাঁর কাছে বাংলাদেশের নতুন একটি অধ্যায়। কোথাও প্রকৃতির সৌন্দর্য, কোথাও মানুষের ভালোবাসা, কোথাও ইতিহাসের স্মৃতি সবকিছু তিনি নিজের চোখে দেখতে চান।

তিনি তরুণ সমাজের কাছেও একটি ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দিতে চান মাদক ও অনৈতিকতা থেকে দূরে থেকে দেশকে জানো, প্রকৃতিকে ভালোবাসো, মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলো।খুলনা আর্ট একাডেমিতে মুন্নার সঙ্গে দীর্ঘ সময় কথা বলেন চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস। তিনি বলেন, “বড় স্বপ্ন দেখার জন্য বিত্তবান পরিবারের সন্তান হতে হয় না। সাধারণ কৃষক পরিবারের একজন তরুণও দেশ ও সমাজের জন্য অনুপ্রেরণার গল্প তৈরি করতে পারে। মুন্না তার উজ্জ্বল উদাহরণ।”মুন্নার এই উদ্যোগকে রাষ্ট্রীয়ভাবে উৎসাহিত করারও আহ্বান জানান তিনি। তাঁর প্রত্যাশা, মুন্নার পথচলা দেখে আরও অনেক তরুণ সাইকেলের চাকা ঘুরিয়ে নিজের দেশকে নতুন করে আবিষ্কারের সাহস পাবে।৩১টি জেলা পেরিয়ে এখন মুন্নার সাইকেল ছুটছে বাকি জেলার পথে। একদিন বাংলাদেশের ৬৪ জেলা পেরিয়ে বিশ্বের পথেও পা রাখার স্বপ্ন দেখেন তিনি।একটি সাইকেলের চাকা ঘুরছে আর তার সঙ্গে ঘুরছে এক তরুণের স্বপ্ন। সেই স্বপ্নের প্রতিটি বাঁকে যেন লেখা হচ্ছে বাংলাদেশের প্রকৃতি, মানুষ, সংস্কৃতি ও ভালোবাসার নতুন গল্প।

শুভ হোক মুন্নার পথচলা।পূর্ণ হোক তাঁর ৬৪ জেলার স্বপ্ন।দেশকে জানুক তরুণ, দেশকে ভালোবাসুক তরুণ।

লেখক: চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস, প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, খুলনা আর্ট একাডেমি।