ঢাকা ০৩:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
খুলনা আর্ট একাডেমির ঐতিহ্য সংরক্ষণশালায় শিক্ষার্থী চারুলতা ঢালীর অনন্য উপহার গোয়াইনঘাটে বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রম মুক্ত উপজেলা গঠনে অগ্রগতি সহভাগিতা সভা অনুষ্ঠিত কবিতাঃ যাত্রাপথে আতঙ্ক গোয়াইনঘাটে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন: জমি রক্ষায় দুই গ্রামবাসীর মানববন্ধন খুলনা আর্ট একাডেমির শিক্ষার্থী সপ্তসী রায় জন্মাষ্টমীর চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় সাফল্য অর্জন রাসুল (সা.)সুন্নাহ অনুসরণেই দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ নিহিত- সীরতুন্নবী মাহফিলের ১৬তম দিবসে বক্তারা তফসিলের আগেই দৌড়ঝাঁপ:ক্ষেতলাল, বড়াইলের চেয়ারম্যান হতে গ্রামবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন মুর্শিদ খুলনা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের নবাগত উপপরিচালকের সঙ্গে সিইউসি পরিবারের সৌজন্য সাক্ষাৎ চারুকলায় অবদানের স্বীকৃতি: গুণীজন সম্মাননা পেলেন চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস অডিট আপত্তি মানেই দুর্নীতি নয়, বাংলাদেশ রেলওয়ে সোসাইটি

সরকারি খাল খননের ভেকুর আঘাতে কৃষকের স্বপ্ন ভাঙার অভিযোগ; ক্ষতিগ্রস্ত পানের বরজ পরিদর্শনে ইসলামী আন্দোলন ও গণঅধিকার পরিষদের নেতারা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০৩:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬ ১২৭ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
২০৬

 

মোঃ নাসির উদ্দিন বিষেশ, প্রতিনিধিঃ
পটুয়াখালী।

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার ৫ নম্বর রতনদী-তালতলী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের দেওয়ান বাজার এলাকায় সরকারি খাল খননের কাজে ব্যবহৃত ভেকুর কারণে কৃষক সুশীল ব্যাপারীর পানের বরজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এতে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছেন তিনি। একসময়ের সবুজে ঘেরা পানের বরজ এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের।

ঘটনার খবর পেয়ে শনিবার ক্ষতিগ্রস্ত পানের বরজ সরেজমিনে পরিদর্শন করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, ৫ নম্বর রতনদী-তালতলী ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক মুফতি আবু বকর এবং গণঅধিকার পরিষদের ৫ নম্বর রতনদী-তালতলী ইউনিয়ন শাখার সভাপতি দুলাল মাস্টার।

পরিদর্শন শেষে তারা বলেন, একজন কৃষকের বহু বছরের শ্রম ও জীবিকার অবলম্বন এভাবে নষ্ট হয়ে যাওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে থেকে তারা দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত, প্রকৃত দায়ীদের চিহ্নিত করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষককে যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান।

এ বিষয়ে গলাচিপা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জহিরুন নবী বলেন, “আমার খাল খননের প্রকল্পের কাজ প্রায় ছয় মাস আগেই শেষ হয়েছে।

বর্তমানে যে খননের কথা বলা হচ্ছে, সেটি কোন প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত হচ্ছে, সে বিষয়ে আমার জানা নেই।

এ ঘটনায় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যেও উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। তাদের দাবি, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে কোনো নিরীহ কৃষকের জীবিকা যেন ধ্বংস না হয়।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক সুশীল ব্যাপারীর ক্ষয়ক্ষতির সঠিক মূল্যায়ন করে দ্রুত ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সরকারি খাল খননের ভেকুর আঘাতে কৃষকের স্বপ্ন ভাঙার অভিযোগ; ক্ষতিগ্রস্ত পানের বরজ পরিদর্শনে ইসলামী আন্দোলন ও গণঅধিকার পরিষদের নেতারা

আপডেট সময় : ০৪:০৩:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
২০৬

 

মোঃ নাসির উদ্দিন বিষেশ, প্রতিনিধিঃ
পটুয়াখালী।

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার ৫ নম্বর রতনদী-তালতলী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের দেওয়ান বাজার এলাকায় সরকারি খাল খননের কাজে ব্যবহৃত ভেকুর কারণে কৃষক সুশীল ব্যাপারীর পানের বরজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এতে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছেন তিনি। একসময়ের সবুজে ঘেরা পানের বরজ এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের।

ঘটনার খবর পেয়ে শনিবার ক্ষতিগ্রস্ত পানের বরজ সরেজমিনে পরিদর্শন করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, ৫ নম্বর রতনদী-তালতলী ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক মুফতি আবু বকর এবং গণঅধিকার পরিষদের ৫ নম্বর রতনদী-তালতলী ইউনিয়ন শাখার সভাপতি দুলাল মাস্টার।

পরিদর্শন শেষে তারা বলেন, একজন কৃষকের বহু বছরের শ্রম ও জীবিকার অবলম্বন এভাবে নষ্ট হয়ে যাওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে থেকে তারা দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত, প্রকৃত দায়ীদের চিহ্নিত করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষককে যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান।

এ বিষয়ে গলাচিপা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জহিরুন নবী বলেন, “আমার খাল খননের প্রকল্পের কাজ প্রায় ছয় মাস আগেই শেষ হয়েছে।

বর্তমানে যে খননের কথা বলা হচ্ছে, সেটি কোন প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত হচ্ছে, সে বিষয়ে আমার জানা নেই।

এ ঘটনায় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যেও উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। তাদের দাবি, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে কোনো নিরীহ কৃষকের জীবিকা যেন ধ্বংস না হয়।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক সুশীল ব্যাপারীর ক্ষয়ক্ষতির সঠিক মূল্যায়ন করে দ্রুত ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।