ঢাকা ০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
খুলনা আর্ট একাডেমির ঐতিহ্য সংরক্ষণশালায় শিক্ষার্থী চারুলতা ঢালীর অনন্য উপহার গোয়াইনঘাটে বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রম মুক্ত উপজেলা গঠনে অগ্রগতি সহভাগিতা সভা অনুষ্ঠিত কবিতাঃ যাত্রাপথে আতঙ্ক গোয়াইনঘাটে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন: জমি রক্ষায় দুই গ্রামবাসীর মানববন্ধন খুলনা আর্ট একাডেমির শিক্ষার্থী সপ্তসী রায় জন্মাষ্টমীর চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় সাফল্য অর্জন রাসুল (সা.)সুন্নাহ অনুসরণেই দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ নিহিত- সীরতুন্নবী মাহফিলের ১৬তম দিবসে বক্তারা তফসিলের আগেই দৌড়ঝাঁপ:ক্ষেতলাল, বড়াইলের চেয়ারম্যান হতে গ্রামবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন মুর্শিদ খুলনা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের নবাগত উপপরিচালকের সঙ্গে সিইউসি পরিবারের সৌজন্য সাক্ষাৎ চারুকলায় অবদানের স্বীকৃতি: গুণীজন সম্মাননা পেলেন চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস অডিট আপত্তি মানেই দুর্নীতি নয়, বাংলাদেশ রেলওয়ে সোসাইটি

পটুয়াখালীতে ২৯ বছরেও নির্মাণ হয়নি নতুন ভবন, শেরে বাংলা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬ ৩৭৯ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৪৫৬

মোঃ মেহেদী হাসান(বাচ্চু) পটুয়াখালী:

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও সমান শেখার পরিবেশ নিশ্চিত করা। কিন্তু পটুয়াখালীর ঐতিহ্যবাহী শেরেবাংলা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সেই পরিবেশ বছরের পর বছর ব্যাহত হচ্ছে জলাবদ্ধতা ও জরাজীর্ণ ভবনের কারণে। এর ফলে শুধু অবকাঠামোগত সংকটই নয়, নিয়মিত পাঠদান, খেলাধুলা ও সহশিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় শিক্ষার্থীরা স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম থেকেও পিছিয়ে পড়ছে।

১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম প্রাচীন এ বিদ্যালয়ে বর্তমানে ৮৫৭ জন শিক্ষার্থী এবং ৩০ জন শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন। পাঁচটি ভবন থাকলেও অধিকাংশই বহু পুরোনো এবং ঝুঁকিপূর্ণ। সর্বশেষ ১৯৯৬ সালে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের মাধ্যমে একটি একাডেমিক ভবন নির্মিত হয়। এরপর প্রায় ২৯ বছরেও নতুন কোনো ভবন নির্মাণ হয়নি।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের বিভিন্ন ভবনের দেয়ালে বড় বড় ফাটল, ছাদের প্লাস্টার খসে পড়ছে এবং বারান্দার বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত। সামান্য বৃষ্টিতেই বিদ্যালয়ের মাঠ, চলাচলের পথ ও শ্রেণিকক্ষের সামনের অংশ পানিতে তলিয়ে যায়।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, জলাবদ্ধতার কারণে প্রতিবছর অন্তত তিন থেকে চার দিন বিদ্যালয় সম্পূর্ণ বন্ধ রাখতে হয়।

প্রধান শিক্ষক রাহিমা মিনি জানান, ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়ন এবং নতুন ভবন নির্মাণের জন্য শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিকবার আবেদন করা হয়েছে। তৎকালীন জেলা প্রশাসকের সুপারিশও ছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি।

পটুয়াখালী শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মো. মনিরুল কবির জানান, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নের বিষয়টি পৌরসভার সঙ্গে সমন্বয় করে বাস্তবায়ন করতে হবে। নতুন ভবন নির্মাণের বিষয়টি সরকারি অনুমোদন ও বরাদ্দের ওপর নির্ভরশীল। স্থানীয় সংসদ সদস্যের পাঠানো অগ্রাধিকার তালিকায় বিদ্যালয়টির নাম রয়েছে। অনুমোদন পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পটুয়াখালীতে ২৯ বছরেও নির্মাণ হয়নি নতুন ভবন, শেরে বাংলা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়

আপডেট সময় : ০৫:৪৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬
৪৫৬

মোঃ মেহেদী হাসান(বাচ্চু) পটুয়াখালী:

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও সমান শেখার পরিবেশ নিশ্চিত করা। কিন্তু পটুয়াখালীর ঐতিহ্যবাহী শেরেবাংলা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সেই পরিবেশ বছরের পর বছর ব্যাহত হচ্ছে জলাবদ্ধতা ও জরাজীর্ণ ভবনের কারণে। এর ফলে শুধু অবকাঠামোগত সংকটই নয়, নিয়মিত পাঠদান, খেলাধুলা ও সহশিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় শিক্ষার্থীরা স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম থেকেও পিছিয়ে পড়ছে।

১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম প্রাচীন এ বিদ্যালয়ে বর্তমানে ৮৫৭ জন শিক্ষার্থী এবং ৩০ জন শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন। পাঁচটি ভবন থাকলেও অধিকাংশই বহু পুরোনো এবং ঝুঁকিপূর্ণ। সর্বশেষ ১৯৯৬ সালে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের মাধ্যমে একটি একাডেমিক ভবন নির্মিত হয়। এরপর প্রায় ২৯ বছরেও নতুন কোনো ভবন নির্মাণ হয়নি।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের বিভিন্ন ভবনের দেয়ালে বড় বড় ফাটল, ছাদের প্লাস্টার খসে পড়ছে এবং বারান্দার বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত। সামান্য বৃষ্টিতেই বিদ্যালয়ের মাঠ, চলাচলের পথ ও শ্রেণিকক্ষের সামনের অংশ পানিতে তলিয়ে যায়।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, জলাবদ্ধতার কারণে প্রতিবছর অন্তত তিন থেকে চার দিন বিদ্যালয় সম্পূর্ণ বন্ধ রাখতে হয়।

প্রধান শিক্ষক রাহিমা মিনি জানান, ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়ন এবং নতুন ভবন নির্মাণের জন্য শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিকবার আবেদন করা হয়েছে। তৎকালীন জেলা প্রশাসকের সুপারিশও ছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি।

পটুয়াখালী শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মো. মনিরুল কবির জানান, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নের বিষয়টি পৌরসভার সঙ্গে সমন্বয় করে বাস্তবায়ন করতে হবে। নতুন ভবন নির্মাণের বিষয়টি সরকারি অনুমোদন ও বরাদ্দের ওপর নির্ভরশীল। স্থানীয় সংসদ সদস্যের পাঠানো অগ্রাধিকার তালিকায় বিদ্যালয়টির নাম রয়েছে। অনুমোদন পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।