ঢাকা ০৮:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
খুলনা আর্ট একাডেমির ঐতিহ্য সংরক্ষণশালায় শিক্ষার্থী চারুলতা ঢালীর অনন্য উপহার গোয়াইনঘাটে বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রম মুক্ত উপজেলা গঠনে অগ্রগতি সহভাগিতা সভা অনুষ্ঠিত কবিতাঃ যাত্রাপথে আতঙ্ক গোয়াইনঘাটে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন: জমি রক্ষায় দুই গ্রামবাসীর মানববন্ধন খুলনা আর্ট একাডেমির শিক্ষার্থী সপ্তসী রায় জন্মাষ্টমীর চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় সাফল্য অর্জন রাসুল (সা.)সুন্নাহ অনুসরণেই দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ নিহিত- সীরতুন্নবী মাহফিলের ১৬তম দিবসে বক্তারা তফসিলের আগেই দৌড়ঝাঁপ:ক্ষেতলাল, বড়াইলের চেয়ারম্যান হতে গ্রামবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন মুর্শিদ খুলনা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের নবাগত উপপরিচালকের সঙ্গে সিইউসি পরিবারের সৌজন্য সাক্ষাৎ চারুকলায় অবদানের স্বীকৃতি: গুণীজন সম্মাননা পেলেন চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস অডিট আপত্তি মানেই দুর্নীতি নয়, বাংলাদেশ রেলওয়ে সোসাইটি

মা মনসা পূজায় মুখর গোলখালীর হরিদেবপুর, পুরোনো মন্দির সংস্কারে সরকারি বরাদ্দের দাবি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৪৬:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬ ১৮০ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
২৫৩

 

মোঃ নাসির উদ্দিন বিশেষ প্রতিনিধি, পটুয়াখালী।

আজ মঙ্গলবার মা মনসা পূজা উপলক্ষে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের হরিদেবপুর গ্রামের ১ নম্বর ওয়ার্ডের স্নানঘাটের উত্তর পাশে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী মা মনসা মন্দিরে ব্যস্ত সময় পার করছেন ভক্ত ও দর্শনার্থীরা।

পূজাকে ঘিরে মন্দির প্রাঙ্গণে সৃষ্টি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ। দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসছেন শত শত মানুষ।
স্থানীয়দের ভাষ্য, বহু বছর ধরে এই স্থানে মা মনসা পূজা ও কালী পূজার আয়োজন হয়ে আসছে। ধর্মীয় বিশ্বাস, ভক্তি ও আবেগের সঙ্গে জড়িয়ে আছে প্রাচীন এই মন্দিরটি। বছরের পর বছর নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও স্থানীয়দের সহযোগিতায় পূজা-পার্বণ চালিয়ে আসছেন তারা।
মন্দিরের সঙ্গে জড়িত মালতী রানী, তিনি কেশব চন্দ্র দাসের স্ত্রী।

আবেগজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, “আমাদের মা মনসা পূজার মন্দিরটি অনেক পুরোনো। মন্দিরটির অবস্থা ভালো নয়। সরকার যদি ছোটখাটো একটি বরাদ্দ দিত, তাহলে মন্দিরটির প্রয়োজনীয় সংস্কার ও উন্নয়নকাজ করা সম্ভব হতো। মা মনসা মন্দিরের পাশাপাশি এখানে কালী মন্দিরও রয়েছে। এই মন্দির দুটির সঙ্গে আমাদের এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের আবেগ ও বিশ্বাস জড়িয়ে আছে।

স্থানীয় ভক্তদের দাবি, ঐতিহ্যবাহী এই ধর্মীয় স্থাপনাটি শুধু পূজার স্থান নয়; এটি এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের ধর্মীয় ও সামাজিক ঐতিহ্যের অংশ। তাই মন্দিরটির জরাজীর্ণ অংশ সংস্কার, প্রাঙ্গণ উন্নয়ন ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণে সরকারি সহায়তা পেলে পূজা আয়োজন আরও সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে করা সম্ভব হবে।

পূজার দিনে শত শত মানুষের উপস্থিতিতে মন্দির প্রাঙ্গণ যেন পরিণত হয়েছে মিলনমেলায়। ভক্তদের প্রার্থনা, পূজার আয়োজন আর ধর্মীয় আবেগে মুখর হয়ে উঠেছে হরিদেবপুরের এই প্রাচীন মা মনসা মন্দির।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঐতিহ্যবাহী এই মা মনসা ও কালী মন্দিরের দিকে সুদৃষ্টি দিয়ে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ প্রদান করবেন এবং বহু বছরের পুরোনো মন্দিরটির ঐতিহ্য রক্ষায় এগিয়ে আসবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মা মনসা পূজায় মুখর গোলখালীর হরিদেবপুর, পুরোনো মন্দির সংস্কারে সরকারি বরাদ্দের দাবি

আপডেট সময় : ০১:৪৬:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
২৫৩

 

মোঃ নাসির উদ্দিন বিশেষ প্রতিনিধি, পটুয়াখালী।

আজ মঙ্গলবার মা মনসা পূজা উপলক্ষে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের হরিদেবপুর গ্রামের ১ নম্বর ওয়ার্ডের স্নানঘাটের উত্তর পাশে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী মা মনসা মন্দিরে ব্যস্ত সময় পার করছেন ভক্ত ও দর্শনার্থীরা।

পূজাকে ঘিরে মন্দির প্রাঙ্গণে সৃষ্টি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ। দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসছেন শত শত মানুষ।
স্থানীয়দের ভাষ্য, বহু বছর ধরে এই স্থানে মা মনসা পূজা ও কালী পূজার আয়োজন হয়ে আসছে। ধর্মীয় বিশ্বাস, ভক্তি ও আবেগের সঙ্গে জড়িয়ে আছে প্রাচীন এই মন্দিরটি। বছরের পর বছর নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও স্থানীয়দের সহযোগিতায় পূজা-পার্বণ চালিয়ে আসছেন তারা।
মন্দিরের সঙ্গে জড়িত মালতী রানী, তিনি কেশব চন্দ্র দাসের স্ত্রী।

আবেগজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, “আমাদের মা মনসা পূজার মন্দিরটি অনেক পুরোনো। মন্দিরটির অবস্থা ভালো নয়। সরকার যদি ছোটখাটো একটি বরাদ্দ দিত, তাহলে মন্দিরটির প্রয়োজনীয় সংস্কার ও উন্নয়নকাজ করা সম্ভব হতো। মা মনসা মন্দিরের পাশাপাশি এখানে কালী মন্দিরও রয়েছে। এই মন্দির দুটির সঙ্গে আমাদের এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের আবেগ ও বিশ্বাস জড়িয়ে আছে।

স্থানীয় ভক্তদের দাবি, ঐতিহ্যবাহী এই ধর্মীয় স্থাপনাটি শুধু পূজার স্থান নয়; এটি এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের ধর্মীয় ও সামাজিক ঐতিহ্যের অংশ। তাই মন্দিরটির জরাজীর্ণ অংশ সংস্কার, প্রাঙ্গণ উন্নয়ন ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণে সরকারি সহায়তা পেলে পূজা আয়োজন আরও সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে করা সম্ভব হবে।

পূজার দিনে শত শত মানুষের উপস্থিতিতে মন্দির প্রাঙ্গণ যেন পরিণত হয়েছে মিলনমেলায়। ভক্তদের প্রার্থনা, পূজার আয়োজন আর ধর্মীয় আবেগে মুখর হয়ে উঠেছে হরিদেবপুরের এই প্রাচীন মা মনসা মন্দির।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঐতিহ্যবাহী এই মা মনসা ও কালী মন্দিরের দিকে সুদৃষ্টি দিয়ে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ প্রদান করবেন এবং বহু বছরের পুরোনো মন্দিরটির ঐতিহ্য রক্ষায় এগিয়ে আসবেন।