ঢাকা ০৮:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
খুলনা আর্ট একাডেমির ঐতিহ্য সংরক্ষণশালায় শিক্ষার্থী চারুলতা ঢালীর অনন্য উপহার গোয়াইনঘাটে বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রম মুক্ত উপজেলা গঠনে অগ্রগতি সহভাগিতা সভা অনুষ্ঠিত কবিতাঃ যাত্রাপথে আতঙ্ক গোয়াইনঘাটে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন: জমি রক্ষায় দুই গ্রামবাসীর মানববন্ধন খুলনা আর্ট একাডেমির শিক্ষার্থী সপ্তসী রায় জন্মাষ্টমীর চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় সাফল্য অর্জন রাসুল (সা.)সুন্নাহ অনুসরণেই দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ নিহিত- সীরতুন্নবী মাহফিলের ১৬তম দিবসে বক্তারা তফসিলের আগেই দৌড়ঝাঁপ:ক্ষেতলাল, বড়াইলের চেয়ারম্যান হতে গ্রামবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন মুর্শিদ খুলনা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের নবাগত উপপরিচালকের সঙ্গে সিইউসি পরিবারের সৌজন্য সাক্ষাৎ চারুকলায় অবদানের স্বীকৃতি: গুণীজন সম্মাননা পেলেন চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস অডিট আপত্তি মানেই দুর্নীতি নয়, বাংলাদেশ রেলওয়ে সোসাইটি

পটুয়াখালীর জৈনকাঠীতে মিথ্যা সাজানো মামলায় হয়রানির অভিযোগ, অপারেশন থিয়েটারে থেকেও আসামি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬ ১২৭ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
২১৩

 

দৈনিক কাল ডাক পটুয়াখালী

পটুয়াখালী সদর উপজেলা জৈনকাঠী ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামে পুর্ব শত্রুতার জের ধরে কাশিপুরের সাক্ষী দিয়ে মিথ্যা ও সাজানো মামলায় হয়রানির অভিযোগ উঠেছে সালাম তালুকদার এর বিরুদ্ধে। নেপথ্যে হানিফ তালুকদার, আনোয়ার তালুকদার ও সেলিম তালুকদার গং।

মানলা সূত্রে, ঘটনার দিন গত ২৭/০৪/২৬ ইং তারিখ রাত আনুমানিক ৪ টার সময় সালাম তালুকদার এর বসতঘরে আগুনের ঘটনা ঘটে। এ সময় সালাম তালুকদার পটুয়াখালী পৌর শহরের ৪ নং ওয়ার্ড ভারা বাসায় অবস্থান করছিলেন। মামলার ১ নং সাক্ষী হানিফ তালুকদার, ২ নং রুমা বেগম, ৩ নং শিল্পী বেগম, ৪ নং মিনারা বেগম, ৫ নং আনোয়ার তালুকদার, ৬ নং আলেয়া বেগম, ৭ নং সেলিম তালুকদার উভয় সাক্ষীরা একই পরিবারের লোকজন। ৮ নং সাক্ষী পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের নাম বিহীন কর্তব্যরত চিকিৎসক।

উক্ত ঘটনায় সালাম তালুকদার বাদী হয়ে প্রতিপক্ষ রাসেল তালুকদার, ইমরান, রিয়াজ, সবুজ, দুলাল, পলাশ তালুকদার, আবুল তালুকদার ও ইমন সিকাদারকে আসামি করে বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করেন।

আসামিদের অভিযোগ ঘটনার সাক্ষীরা সবাই পটুয়াখালী শহরে ভাড়া থাকেন অথচ ঘটনার দিন প্রতিবেশীরা উপস্থিত ছিলো তাদের মধ্যে কাউকে সাক্ষী করা হয়নি এর কারন ঐদিন আসামি পলাশ গুরুত্বর আহত অবস্থায় বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল ভর্তি ছিলেন তার পিতা আবুল তালুকদার, ভাই রিয়াজ, ভাতিজা ইমরান বরিশাল ছিলেন এছাড়াও সবুজ, রাসেল দুলাল বাড়িতেই ছিলেন না।

মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ১ নং সাক্ষী হানিফ তালুকদার কে আসামিদের দেখে ফেলায় তাকে কুপিয়ে জখম করে এবং ঐদিন সাক্ষীরা সবাই বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। পরে স্থানীয়রা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করলে ফায়ার সার্ভিসের টিম আগুন নিয়ন্ত্রনে আনেন এবং ঘরের মধ্যে থাকা সকল মালামাল আলমারি, সুকেজ, খাট, স্বর্নলংকার ও নগত টাকা পুরে যায়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহত হানিফ তালুকদার কে পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের নিকট জানাগেছে, রাতের বেলা আগুন দেখে প্রতিবেশীর এগিয়ে আসে এবং সেখানে আসামি পক্ষ কিংবা বাদী ও সাক্ষীর কোন লোকজন ছিলো না। বরং ঘটনার দুইদিন আগে ১ নং সাক্ষী হানিফ তালুকদার পলাশ তালুকদারকে কুপিয়ে জখম করায় তার পেটের ভুরি বেরিয়ে আসে এবং পলাশ মারা গিয়েছে বলে এমন খবর ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। ফায়ার সার্ভিসের টিম এখানে কখনও আসেনি এমনকি এই রাস্তা দিয়ে আসা সম্ভব নয় বলে জানান ঘটনার দিন উপস্থিত একাধিক প্রতিবেশীরা।

এদিকে মামলায় ঘটনার দিন ২৭/০৪/২৬ ইং উল্লেখ করা হয়েছে অথচ হানিফ তালুকদার কে ঘটনার দূইদিন আগে ২৫/০৪/২৬ ইং তারিখ ভর্তি দেখানো হয়েছে এবং সাক্ষীরা সবাই পটুয়াখালী শহরের বাসায় ছিলো আর আসামি পলাশ অপারেশন থিয়েটারে সবকিছু যেন কাশিপুরের সাক্ষীর মত ঘটনা ঘটেছে এমন সাজানো ও নাটকীয় ঘটনায় হতবাক এলাকাবাসী । এছাড়াও ঘরে থাকা স্টিলের সুকেজ পাশের বাড়িতে গত ১ মাস আগেই বিক্রি করার সত্যতা পাওয়া গেছে। বাকি মালামাল গাড়ি ভরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে। একটা পরিত্যক্ত ঘরে আগুন দিয়ে মিথ্যা ও সাজানো মামলায় হয়রানি করা হচ্ছে বলে দাবি আসামিদের।

আসামিরা আরও অভিযোগ করে বলেন, পলাশকে হত্যার উদ্দেশ্যে ২৫/০৪/২৬ ইং তারিখ কালিকাপুর ইউনিয়নের ওয়াজেদ গাজী বাড়ির সামনে হানিফ তালুকদার সহ কয়েকজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে এতে তার পেটের ভুরি বের হয়ে যায়। এ ঘটনায় পুলিশ ও ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করেন এবং একটি মামলাও চলমান রয়েছে। ঐ মামলায় হানিফ তালুকদার ও সালাম গং আসামি রয়েছে। ২৫/০৪/২৬ ইং তারিখ পলাশ তালুকদার কে গুরুত্বর অবস্থায় উদ্ধার করে পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে রোগীর অবস্থা আশংকাজনক দেখে কর্মরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাৎক্ষণিক উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেলে রেফার করেন। চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল ভর্তি ছিলেন পলাশ সাথে ছিলেন তার বাবা ভাই ও ভাতিজা।

এদিকে একই তারিখে হানিফ তালুকদার ও পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি হন। পরের দিন পলাশ তালুকদার মারা যাওয়ার ঘটনা এলাকায় ছড়িয়ে পরলে রাতের আধারে পরিত্যক্ত ঘরে আগুন দিয়ে অপারেশন থিয়েটারে থাকা রোগী সহ নিজ পরিবারের লোকজনকে কাশিপুরী সাক্ষী বানিয়ে মিথ্যা ও সাজানো মামলা দায়ের করা হয়। যাহাতে করে আসামি হানিফ তালুকদার গং কাউন্টার মামলা দায়ের করতে পারেন এবং নিজেদের অপরাধ ধামাচাপা দিয়ে প্রতিপক্ষকে হয়রানি করতে পারে। উক্ত নাটকীয় ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের আইনের আওতায় আনা এবং মিথ্যা হয়রানি মামলার বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে নিকট মামলাবাজদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান ভুক্তভোগী আসামি পক্ষ ও প্রতক্ষ সাক্ষীরা।

এ মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে রয়েছেন পটুয়াখালী সদর থানার এসআই শহিদুল ইসলাম। তবে এপর্যন্ত কোন তদন্ত রিপোর্ট করা হয়নি এবং মেডিকেল রিপোর্ট পর্যন্ত আনা হয়নি বলে জানাগেছে।

এ ব্যাপারে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শহিদুল ইসলাম বলেন, আমি কয়েকবার ঘটনাস্থলে গিয়েছি মেডিকেল রিপোর্টের জন্য বরিশাল গিয়েছি তবে পলাশ নিজ শরীরে উপস্থিত না হলে মেডিকেল রিপোর্ট আনা সম্ভব নয়। পুলিশ সঠিক সময়ে তার সঠিক তদন্ত রিপোর্ট প্রদান করবে বলে জানান তিনি।

এ ব্যাপারে মিথ্যা মামলা করার অভিযোগের বিষয়ে সালাম তালুকদার ও হানিফ তালুকদার গং এর নিকট জানতে বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে ও তাদের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পটুয়াখালীর জৈনকাঠীতে মিথ্যা সাজানো মামলায় হয়রানির অভিযোগ, অপারেশন থিয়েটারে থেকেও আসামি

আপডেট সময় : ০৫:০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬
২১৩

 

দৈনিক কাল ডাক পটুয়াখালী

পটুয়াখালী সদর উপজেলা জৈনকাঠী ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামে পুর্ব শত্রুতার জের ধরে কাশিপুরের সাক্ষী দিয়ে মিথ্যা ও সাজানো মামলায় হয়রানির অভিযোগ উঠেছে সালাম তালুকদার এর বিরুদ্ধে। নেপথ্যে হানিফ তালুকদার, আনোয়ার তালুকদার ও সেলিম তালুকদার গং।

মানলা সূত্রে, ঘটনার দিন গত ২৭/০৪/২৬ ইং তারিখ রাত আনুমানিক ৪ টার সময় সালাম তালুকদার এর বসতঘরে আগুনের ঘটনা ঘটে। এ সময় সালাম তালুকদার পটুয়াখালী পৌর শহরের ৪ নং ওয়ার্ড ভারা বাসায় অবস্থান করছিলেন। মামলার ১ নং সাক্ষী হানিফ তালুকদার, ২ নং রুমা বেগম, ৩ নং শিল্পী বেগম, ৪ নং মিনারা বেগম, ৫ নং আনোয়ার তালুকদার, ৬ নং আলেয়া বেগম, ৭ নং সেলিম তালুকদার উভয় সাক্ষীরা একই পরিবারের লোকজন। ৮ নং সাক্ষী পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের নাম বিহীন কর্তব্যরত চিকিৎসক।

উক্ত ঘটনায় সালাম তালুকদার বাদী হয়ে প্রতিপক্ষ রাসেল তালুকদার, ইমরান, রিয়াজ, সবুজ, দুলাল, পলাশ তালুকদার, আবুল তালুকদার ও ইমন সিকাদারকে আসামি করে বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করেন।

আসামিদের অভিযোগ ঘটনার সাক্ষীরা সবাই পটুয়াখালী শহরে ভাড়া থাকেন অথচ ঘটনার দিন প্রতিবেশীরা উপস্থিত ছিলো তাদের মধ্যে কাউকে সাক্ষী করা হয়নি এর কারন ঐদিন আসামি পলাশ গুরুত্বর আহত অবস্থায় বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল ভর্তি ছিলেন তার পিতা আবুল তালুকদার, ভাই রিয়াজ, ভাতিজা ইমরান বরিশাল ছিলেন এছাড়াও সবুজ, রাসেল দুলাল বাড়িতেই ছিলেন না।

মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ১ নং সাক্ষী হানিফ তালুকদার কে আসামিদের দেখে ফেলায় তাকে কুপিয়ে জখম করে এবং ঐদিন সাক্ষীরা সবাই বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। পরে স্থানীয়রা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করলে ফায়ার সার্ভিসের টিম আগুন নিয়ন্ত্রনে আনেন এবং ঘরের মধ্যে থাকা সকল মালামাল আলমারি, সুকেজ, খাট, স্বর্নলংকার ও নগত টাকা পুরে যায়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহত হানিফ তালুকদার কে পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের নিকট জানাগেছে, রাতের বেলা আগুন দেখে প্রতিবেশীর এগিয়ে আসে এবং সেখানে আসামি পক্ষ কিংবা বাদী ও সাক্ষীর কোন লোকজন ছিলো না। বরং ঘটনার দুইদিন আগে ১ নং সাক্ষী হানিফ তালুকদার পলাশ তালুকদারকে কুপিয়ে জখম করায় তার পেটের ভুরি বেরিয়ে আসে এবং পলাশ মারা গিয়েছে বলে এমন খবর ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। ফায়ার সার্ভিসের টিম এখানে কখনও আসেনি এমনকি এই রাস্তা দিয়ে আসা সম্ভব নয় বলে জানান ঘটনার দিন উপস্থিত একাধিক প্রতিবেশীরা।

এদিকে মামলায় ঘটনার দিন ২৭/০৪/২৬ ইং উল্লেখ করা হয়েছে অথচ হানিফ তালুকদার কে ঘটনার দূইদিন আগে ২৫/০৪/২৬ ইং তারিখ ভর্তি দেখানো হয়েছে এবং সাক্ষীরা সবাই পটুয়াখালী শহরের বাসায় ছিলো আর আসামি পলাশ অপারেশন থিয়েটারে সবকিছু যেন কাশিপুরের সাক্ষীর মত ঘটনা ঘটেছে এমন সাজানো ও নাটকীয় ঘটনায় হতবাক এলাকাবাসী । এছাড়াও ঘরে থাকা স্টিলের সুকেজ পাশের বাড়িতে গত ১ মাস আগেই বিক্রি করার সত্যতা পাওয়া গেছে। বাকি মালামাল গাড়ি ভরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে। একটা পরিত্যক্ত ঘরে আগুন দিয়ে মিথ্যা ও সাজানো মামলায় হয়রানি করা হচ্ছে বলে দাবি আসামিদের।

আসামিরা আরও অভিযোগ করে বলেন, পলাশকে হত্যার উদ্দেশ্যে ২৫/০৪/২৬ ইং তারিখ কালিকাপুর ইউনিয়নের ওয়াজেদ গাজী বাড়ির সামনে হানিফ তালুকদার সহ কয়েকজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে এতে তার পেটের ভুরি বের হয়ে যায়। এ ঘটনায় পুলিশ ও ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করেন এবং একটি মামলাও চলমান রয়েছে। ঐ মামলায় হানিফ তালুকদার ও সালাম গং আসামি রয়েছে। ২৫/০৪/২৬ ইং তারিখ পলাশ তালুকদার কে গুরুত্বর অবস্থায় উদ্ধার করে পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে রোগীর অবস্থা আশংকাজনক দেখে কর্মরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাৎক্ষণিক উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেলে রেফার করেন। চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল ভর্তি ছিলেন পলাশ সাথে ছিলেন তার বাবা ভাই ও ভাতিজা।

এদিকে একই তারিখে হানিফ তালুকদার ও পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি হন। পরের দিন পলাশ তালুকদার মারা যাওয়ার ঘটনা এলাকায় ছড়িয়ে পরলে রাতের আধারে পরিত্যক্ত ঘরে আগুন দিয়ে অপারেশন থিয়েটারে থাকা রোগী সহ নিজ পরিবারের লোকজনকে কাশিপুরী সাক্ষী বানিয়ে মিথ্যা ও সাজানো মামলা দায়ের করা হয়। যাহাতে করে আসামি হানিফ তালুকদার গং কাউন্টার মামলা দায়ের করতে পারেন এবং নিজেদের অপরাধ ধামাচাপা দিয়ে প্রতিপক্ষকে হয়রানি করতে পারে। উক্ত নাটকীয় ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের আইনের আওতায় আনা এবং মিথ্যা হয়রানি মামলার বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে নিকট মামলাবাজদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান ভুক্তভোগী আসামি পক্ষ ও প্রতক্ষ সাক্ষীরা।

এ মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে রয়েছেন পটুয়াখালী সদর থানার এসআই শহিদুল ইসলাম। তবে এপর্যন্ত কোন তদন্ত রিপোর্ট করা হয়নি এবং মেডিকেল রিপোর্ট পর্যন্ত আনা হয়নি বলে জানাগেছে।

এ ব্যাপারে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শহিদুল ইসলাম বলেন, আমি কয়েকবার ঘটনাস্থলে গিয়েছি মেডিকেল রিপোর্টের জন্য বরিশাল গিয়েছি তবে পলাশ নিজ শরীরে উপস্থিত না হলে মেডিকেল রিপোর্ট আনা সম্ভব নয়। পুলিশ সঠিক সময়ে তার সঠিক তদন্ত রিপোর্ট প্রদান করবে বলে জানান তিনি।

এ ব্যাপারে মিথ্যা মামলা করার অভিযোগের বিষয়ে সালাম তালুকদার ও হানিফ তালুকদার গং এর নিকট জানতে বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে ও তাদের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।