ঢাকা ০৮:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
খুলনা আর্ট একাডেমির ঐতিহ্য সংরক্ষণশালায় শিক্ষার্থী চারুলতা ঢালীর অনন্য উপহার গোয়াইনঘাটে বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রম মুক্ত উপজেলা গঠনে অগ্রগতি সহভাগিতা সভা অনুষ্ঠিত কবিতাঃ যাত্রাপথে আতঙ্ক গোয়াইনঘাটে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন: জমি রক্ষায় দুই গ্রামবাসীর মানববন্ধন খুলনা আর্ট একাডেমির শিক্ষার্থী সপ্তসী রায় জন্মাষ্টমীর চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় সাফল্য অর্জন রাসুল (সা.)সুন্নাহ অনুসরণেই দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ নিহিত- সীরতুন্নবী মাহফিলের ১৬তম দিবসে বক্তারা তফসিলের আগেই দৌড়ঝাঁপ:ক্ষেতলাল, বড়াইলের চেয়ারম্যান হতে গ্রামবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন মুর্শিদ খুলনা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের নবাগত উপপরিচালকের সঙ্গে সিইউসি পরিবারের সৌজন্য সাক্ষাৎ চারুকলায় অবদানের স্বীকৃতি: গুণীজন সম্মাননা পেলেন চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস অডিট আপত্তি মানেই দুর্নীতি নয়, বাংলাদেশ রেলওয়ে সোসাইটি

গলাচিপা পৌরসভার ভরাট হওয়া খাল খনন ! স্বস্তি পাচ্ছে পৌরবাসী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১২:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬ ২১০ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৩১৯

 

মোঃ মেহেদী হাসান (বাচ্চু)পটুয়াখালী
গলাচিপা পৌরসভার, গলাচিপা সদর ইউনিয়নের কালিকাপুর বাজার, ডাকুয়া ইউনিয়ন, রতনদী তালতলি ইউনিয়ন ইউনিয়নের তিনটি ইউনিয়ন ও গলাচিপা পৌরসভার প্রাণের স্পন্দন এই খালটি। একসময় এই খালে নৌকা চলত। খালের পানি মানুষ নানা কাজে ব্যবহার করত। কিন্তু সময়ের বিবর্তনে খালটি অস্তিত্ব হারায়। সম্প্রতি খালটি উদ্ধারের উদ্যোগ নিয়েছে প্রসাশন ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ গুলো। স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গলাচিপা পৌরসভা থেকে খালটি উলানিয়া বাজার পর্যন্ত। একসময় নৌকা,টলার চলাচল করত এই খালে। কিন্তু বছরের পর বছর স্থানীয় লোকজন খালের দুই পাড় দখল করতে শুরু করেন। পর্যায়ক্রমে আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় দোকান ঘর,বাড়ি, রিস্কার গ্রেস, পানের বর গড়ে তোলা হয়। একসময় খালটির অস্তিত্ব হারিয়ে যায়।
সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায় পৌরসভা থেকে কালিকাপুর কালভার্ট পযন্ত খালের অস্তিত্ব চোখে পড়ে। ডাকুয়া গ্রামের ফেরজা বেগম বলেন, ‘একসময় এই খালে নৌকা চলত। স্থানীয় লোকজন নানা গৃহস্থালি কাজে এর পানি ব্যবহার করতেন। কিন্তু এখন সেই খাল দেখে বোঝা মুশকিল, এটা খাল না খণ্ড খণ্ড ডোবা।’খালটি খনন করা অতিব জরুরী।গলাচিপা পৌরসভা এলাকার শংকর দাস বলেন, ‘দখলমুক্ত করে খাল খননের জন্য আমরা অনেক বছর ধরেই দাবি জানিয়ে আসছিলাম। কিন্তু আগের কোনো এমপি ও মেয়র উদ্যোগ নেননি। বর্তমান প্রশাসন ও চেয়ারম্যান উদ্যোগ নিয়েছেন। দেখা যাক, তিনি কতটা পারেন।’ গলাচিপা সদর ইউনিয়ন কালিকাপুর বাজারের দোকানদার জাকির হোসেন বলেন, এই খালটি আমাদের দরকার অগ্নিকাণ্ডের জন্য এই খালটি অনেক উপকারে আসবে। রতনদী তালতলি ইউনিয়ন বাসিন্দা রেজাউল করিম হাওলাদার বলেন, খালতি খনন করা হলে খালের পানি আমরা সাধারণ মানুষ ব্যবহার করতে পারব। মোস্তাফিজুর রহমান খন্দকার বলেন, মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনার ভূমির সদয় দৃষ্টি কামনা করেন যাতে কালিকাপুর কালভার্ট থেকে মাটিভাংগা পর্যন্ত অতি দ্রুত খাঁটি খনন করা হয়। খালটি খনন করা হলে ডাকুয়া ইউনিয়ন রতনদি তালতলী ও গলাচিপা সদর ইউনিয়নের প্রাণ ফিরে পাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গলাচিপা পৌরসভার ভরাট হওয়া খাল খনন ! স্বস্তি পাচ্ছে পৌরবাসী

আপডেট সময় : ০৫:১২:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬
৩১৯

 

মোঃ মেহেদী হাসান (বাচ্চু)পটুয়াখালী
গলাচিপা পৌরসভার, গলাচিপা সদর ইউনিয়নের কালিকাপুর বাজার, ডাকুয়া ইউনিয়ন, রতনদী তালতলি ইউনিয়ন ইউনিয়নের তিনটি ইউনিয়ন ও গলাচিপা পৌরসভার প্রাণের স্পন্দন এই খালটি। একসময় এই খালে নৌকা চলত। খালের পানি মানুষ নানা কাজে ব্যবহার করত। কিন্তু সময়ের বিবর্তনে খালটি অস্তিত্ব হারায়। সম্প্রতি খালটি উদ্ধারের উদ্যোগ নিয়েছে প্রসাশন ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ গুলো। স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গলাচিপা পৌরসভা থেকে খালটি উলানিয়া বাজার পর্যন্ত। একসময় নৌকা,টলার চলাচল করত এই খালে। কিন্তু বছরের পর বছর স্থানীয় লোকজন খালের দুই পাড় দখল করতে শুরু করেন। পর্যায়ক্রমে আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় দোকান ঘর,বাড়ি, রিস্কার গ্রেস, পানের বর গড়ে তোলা হয়। একসময় খালটির অস্তিত্ব হারিয়ে যায়।
সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায় পৌরসভা থেকে কালিকাপুর কালভার্ট পযন্ত খালের অস্তিত্ব চোখে পড়ে। ডাকুয়া গ্রামের ফেরজা বেগম বলেন, ‘একসময় এই খালে নৌকা চলত। স্থানীয় লোকজন নানা গৃহস্থালি কাজে এর পানি ব্যবহার করতেন। কিন্তু এখন সেই খাল দেখে বোঝা মুশকিল, এটা খাল না খণ্ড খণ্ড ডোবা।’খালটি খনন করা অতিব জরুরী।গলাচিপা পৌরসভা এলাকার শংকর দাস বলেন, ‘দখলমুক্ত করে খাল খননের জন্য আমরা অনেক বছর ধরেই দাবি জানিয়ে আসছিলাম। কিন্তু আগের কোনো এমপি ও মেয়র উদ্যোগ নেননি। বর্তমান প্রশাসন ও চেয়ারম্যান উদ্যোগ নিয়েছেন। দেখা যাক, তিনি কতটা পারেন।’ গলাচিপা সদর ইউনিয়ন কালিকাপুর বাজারের দোকানদার জাকির হোসেন বলেন, এই খালটি আমাদের দরকার অগ্নিকাণ্ডের জন্য এই খালটি অনেক উপকারে আসবে। রতনদী তালতলি ইউনিয়ন বাসিন্দা রেজাউল করিম হাওলাদার বলেন, খালতি খনন করা হলে খালের পানি আমরা সাধারণ মানুষ ব্যবহার করতে পারব। মোস্তাফিজুর রহমান খন্দকার বলেন, মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনার ভূমির সদয় দৃষ্টি কামনা করেন যাতে কালিকাপুর কালভার্ট থেকে মাটিভাংগা পর্যন্ত অতি দ্রুত খাঁটি খনন করা হয়। খালটি খনন করা হলে ডাকুয়া ইউনিয়ন রতনদি তালতলী ও গলাচিপা সদর ইউনিয়নের প্রাণ ফিরে পাবে।