ঢাকা ০২:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
খুলনা আর্ট একাডেমির ঐতিহ্য সংরক্ষণশালায় শিক্ষার্থী চারুলতা ঢালীর অনন্য উপহার গোয়াইনঘাটে বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রম মুক্ত উপজেলা গঠনে অগ্রগতি সহভাগিতা সভা অনুষ্ঠিত কবিতাঃ যাত্রাপথে আতঙ্ক গোয়াইনঘাটে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন: জমি রক্ষায় দুই গ্রামবাসীর মানববন্ধন খুলনা আর্ট একাডেমির শিক্ষার্থী সপ্তসী রায় জন্মাষ্টমীর চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় সাফল্য অর্জন রাসুল (সা.)সুন্নাহ অনুসরণেই দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ নিহিত- সীরতুন্নবী মাহফিলের ১৬তম দিবসে বক্তারা তফসিলের আগেই দৌড়ঝাঁপ:ক্ষেতলাল, বড়াইলের চেয়ারম্যান হতে গ্রামবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন মুর্শিদ খুলনা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের নবাগত উপপরিচালকের সঙ্গে সিইউসি পরিবারের সৌজন্য সাক্ষাৎ চারুকলায় অবদানের স্বীকৃতি: গুণীজন সম্মাননা পেলেন চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস অডিট আপত্তি মানেই দুর্নীতি নয়, বাংলাদেশ রেলওয়ে সোসাইটি

পটুয়াখালীতে রিকশা চালককে আটকে নির্যাতন,গলায় গামছা পেচিয়ে মেরে ফেলার চেষ্টা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৯:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬ ২০৬ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৩২৭

 

মোঃ মেহেদী হাসান (বাচ্চু )পটুয়াখালী:

পটুয়াখালী সদর হাসপাতালের নির্মাণাধীন ভবনের ভেতরে অটো রিকশাচালককে ভাড়া করে ভেতরে নিয়ে আটকে রেখে বেধড়ক মারধর, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে গলায় গামছা পেচিয়ে মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গতকাল রাতে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে পটুয়াখালী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন আহতের বাবা মো. জসিম হাওলাদার।

থানায় দায়ের করা অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ২৩ জুলাই সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে পটুয়াখালী সদর হাসপাতালের সামনে রিকশা চালানোর সময় শাহিন হাওলাদারকে ভাড়াকরে ভেতরে নিয়ে যান অভিযুক্তরা। পরে বিকেল আনুমানিক ৩ টার দিকে তাকে সদর হাসপাতালের নির্মাণাধীন ভবনের ভেতরে আটকে রেখে ব্যপক মারধর করা হয়। এবং গলায় গামছা পেচিয়ে মেরে ফেলার ও চেষ্টা করা হয়।

অভিযোগে আরো বলা হয়, অভিযুক্তরা লাথী ও কিল-ঘুষি দিয়ে শাহিন হাওলাদারকে এলোপাতাড়িভাবে মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করেন। একপর্যায়ে তার কাছে থাকা নগদ ৩০ হাজার টাকা এবং একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

উক্ত ঘটনার সময় শাহিনের ডাক চিৎকার শুনেও আশপাশে কেউ এগিয়ে আসতে পারেননি বলে অভিযোগে স্পষ্ট করা হয়েছে।
পরে স্থানীয় কিছু লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় শাহিনকে উদ্ধার করে পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।

লিখিত অভিযোগে মো. সোহেল, মো. শাকিল, মো. রাহাত, মো. তুহিন ও মো. কালাম হোসেন-সহ পাঁচজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া ঘটনার একাধিক প্রত্যক্ষদর্শীর নাম অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীর বাবা মো. জসিম হাওলাদার অভিযোগে দাবী করেন, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চুরি, ছিনতাই,লুট চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত রয়েছে। পূর্বপরিকল্পিতভাবে তার ছেলেকে ডেকে নিয়ে এই হামলা ও ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীর পরিবার।

এ বিষয়ে পটুয়াখালী থানার দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানায়, লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পটুয়াখালীতে রিকশা চালককে আটকে নির্যাতন,গলায় গামছা পেচিয়ে মেরে ফেলার চেষ্টা

আপডেট সময় : ০৪:৩৯:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
৩২৭

 

মোঃ মেহেদী হাসান (বাচ্চু )পটুয়াখালী:

পটুয়াখালী সদর হাসপাতালের নির্মাণাধীন ভবনের ভেতরে অটো রিকশাচালককে ভাড়া করে ভেতরে নিয়ে আটকে রেখে বেধড়ক মারধর, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে গলায় গামছা পেচিয়ে মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গতকাল রাতে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে পটুয়াখালী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন আহতের বাবা মো. জসিম হাওলাদার।

থানায় দায়ের করা অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ২৩ জুলাই সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে পটুয়াখালী সদর হাসপাতালের সামনে রিকশা চালানোর সময় শাহিন হাওলাদারকে ভাড়াকরে ভেতরে নিয়ে যান অভিযুক্তরা। পরে বিকেল আনুমানিক ৩ টার দিকে তাকে সদর হাসপাতালের নির্মাণাধীন ভবনের ভেতরে আটকে রেখে ব্যপক মারধর করা হয়। এবং গলায় গামছা পেচিয়ে মেরে ফেলার ও চেষ্টা করা হয়।

অভিযোগে আরো বলা হয়, অভিযুক্তরা লাথী ও কিল-ঘুষি দিয়ে শাহিন হাওলাদারকে এলোপাতাড়িভাবে মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করেন। একপর্যায়ে তার কাছে থাকা নগদ ৩০ হাজার টাকা এবং একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

উক্ত ঘটনার সময় শাহিনের ডাক চিৎকার শুনেও আশপাশে কেউ এগিয়ে আসতে পারেননি বলে অভিযোগে স্পষ্ট করা হয়েছে।
পরে স্থানীয় কিছু লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় শাহিনকে উদ্ধার করে পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।

লিখিত অভিযোগে মো. সোহেল, মো. শাকিল, মো. রাহাত, মো. তুহিন ও মো. কালাম হোসেন-সহ পাঁচজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া ঘটনার একাধিক প্রত্যক্ষদর্শীর নাম অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীর বাবা মো. জসিম হাওলাদার অভিযোগে দাবী করেন, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চুরি, ছিনতাই,লুট চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত রয়েছে। পূর্বপরিকল্পিতভাবে তার ছেলেকে ডেকে নিয়ে এই হামলা ও ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীর পরিবার।

এ বিষয়ে পটুয়াখালী থানার দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানায়, লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান।