ঢাকা ১২:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
খুলনা আর্ট একাডেমির ঐতিহ্য সংরক্ষণশালায় শিক্ষার্থী চারুলতা ঢালীর অনন্য উপহার গোয়াইনঘাটে বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রম মুক্ত উপজেলা গঠনে অগ্রগতি সহভাগিতা সভা অনুষ্ঠিত কবিতাঃ যাত্রাপথে আতঙ্ক গোয়াইনঘাটে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন: জমি রক্ষায় দুই গ্রামবাসীর মানববন্ধন খুলনা আর্ট একাডেমির শিক্ষার্থী সপ্তসী রায় জন্মাষ্টমীর চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় সাফল্য অর্জন রাসুল (সা.)সুন্নাহ অনুসরণেই দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ নিহিত- সীরতুন্নবী মাহফিলের ১৬তম দিবসে বক্তারা তফসিলের আগেই দৌড়ঝাঁপ:ক্ষেতলাল, বড়াইলের চেয়ারম্যান হতে গ্রামবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন মুর্শিদ খুলনা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের নবাগত উপপরিচালকের সঙ্গে সিইউসি পরিবারের সৌজন্য সাক্ষাৎ চারুকলায় অবদানের স্বীকৃতি: গুণীজন সম্মাননা পেলেন চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস অডিট আপত্তি মানেই দুর্নীতি নয়, বাংলাদেশ রেলওয়ে সোসাইটি

দাঁত তোলার পরও দেখা দেয় অনেকের সমস্যা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৭:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অগাস্ট ২০২৫ ৪২৭ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৪০৬

দাঁত ওঠানোর পর অনেকে নতুন সমস্যা নিয়ে আসেন। যেমন—সেখানে প্রচণ্ড ব্যথা বা কয়েকদিন হয়ে গেলেও সেখান থেকে রক্ত পড়ছে। দাঁত ওঠানোর পর ঠিকমতো রক্ত জমাট না বাঁধা, ধূমপান করা বা ওরাল কন্ট্রাসেপটিভ পিল ব্যবহার করার কারণে অনেক সময় ‘ড্রাই সকেট’ নামে একটি রোগ হয়, যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং অনেকদিন ভোগায়। আবার সেখানে খাবার জমে সেকেন্ডারি ইনফেকশন হয়ে ব্লিডিং শুরু হতে পারে।

দাঁত ওঠানোর পর আমাদের প্রধানত তিনটি লক্ষ্য থাকে—

১. ব্যথা কমানো

২. রক্তপাত বন্ধ করা

৩. সেকেন্ডারি ইনফেকশন প্রতিরোধ করা

দাঁত ওঠানোর পরের ৪০ মিনিট: আপনার ডেন্টিস্ট ক্ষতস্থানে যে তুলা গুঁজে দেবেন, তা শক্ত করে কামড় দিয়ে রাখতে হবে। তখন মুখ খুলবেন না এবং থুথু ফেলার চেষ্টা করবেন না। মুখে যা আসে, গিলে ফেলতে হবে। কোনো কারণে সেই তুলা জায়গা থেকে সরে গেলে রক্তপাত সহজে বন্ধ হবে না।

দাঁত ওঠানোর পরের ২৪ ঘণ্টা: তখন গরম ও শক্ত খাবার খাওয়া যাবে না, যা কিছু খাবেন, নরম ও ঠান্ডা করে খাবেন। জোরে কুলি ও ব্রাশ করবেন না এবং জিহ্বা দিয়ে ক্ষতস্থানে নাড়াচাড়া করা যাবে না। এতে জমাট বাঁধা রক্ত গলে ফের রক্তপাত হতে পারে।

২৪ ঘণ্টা পর থেকে পরবর্তী এক সপ্তাহ: দাঁত ফেললে যে গর্ত তৈরি হয় (যদিও তা কিছুদিন পর এমনিতেই ভরাট হয়ে যায়), সেখানে খাবার জমে সেকেন্ডারি ইনফেকশন হওয়ার সুযোগ থাকে। তাই ২৪ ঘণ্টা পর থেকে জোরে জোরে কুলি করতে হবে, যাতে সেখানে কোনোভাবেই খাবার জমতে না পারে। হালকা গরম পানিতে লবণ দিয়ে ছয় থেকে সাতবার, সঙ্গে মাউথওয়াশ দিয়ে দুই বার কুলি করবেন। এ সময় ধূমপান করা যাবে না এবং যারা ওরাল কন্ট্র্রাসেপটিভ পিল ব্যবহার করেন, তা বন্ধ রাখতে হবে। সে সময় ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ খাবার খাবেন, যা দ্রুত মাড়ি সেরে উঠতে সহায়তা করে।

দাঁত ওঠানোর পর অ্যানেসথেসিয়ার কারণে মুখের কিছু অংশ ভারী ভারী মনে হওয়া বা ফুলে যাওয়া, থুথুর সঙ্গে অল্প অল্প রক্ত আসা স্বাভাবিক। দুই থেকে তিন দিনের মাথায় সেটি সেরে যায়। সঙ্গে সঙ্গে আপনার ডেন্টাল সার্জন অ্যান্টিবায়োটিক ও ব্যথানাশকসহ যে ব্যবস্থাপত্র দেবেন, সেটা পুরোপুরি অনুসরণ করতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

দাঁত তোলার পরও দেখা দেয় অনেকের সমস্যা

আপডেট সময় : ০৫:৩৭:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অগাস্ট ২০২৫
৪০৬

দাঁত ওঠানোর পর অনেকে নতুন সমস্যা নিয়ে আসেন। যেমন—সেখানে প্রচণ্ড ব্যথা বা কয়েকদিন হয়ে গেলেও সেখান থেকে রক্ত পড়ছে। দাঁত ওঠানোর পর ঠিকমতো রক্ত জমাট না বাঁধা, ধূমপান করা বা ওরাল কন্ট্রাসেপটিভ পিল ব্যবহার করার কারণে অনেক সময় ‘ড্রাই সকেট’ নামে একটি রোগ হয়, যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং অনেকদিন ভোগায়। আবার সেখানে খাবার জমে সেকেন্ডারি ইনফেকশন হয়ে ব্লিডিং শুরু হতে পারে।

দাঁত ওঠানোর পর আমাদের প্রধানত তিনটি লক্ষ্য থাকে—

১. ব্যথা কমানো

২. রক্তপাত বন্ধ করা

৩. সেকেন্ডারি ইনফেকশন প্রতিরোধ করা

দাঁত ওঠানোর পরের ৪০ মিনিট: আপনার ডেন্টিস্ট ক্ষতস্থানে যে তুলা গুঁজে দেবেন, তা শক্ত করে কামড় দিয়ে রাখতে হবে। তখন মুখ খুলবেন না এবং থুথু ফেলার চেষ্টা করবেন না। মুখে যা আসে, গিলে ফেলতে হবে। কোনো কারণে সেই তুলা জায়গা থেকে সরে গেলে রক্তপাত সহজে বন্ধ হবে না।

দাঁত ওঠানোর পরের ২৪ ঘণ্টা: তখন গরম ও শক্ত খাবার খাওয়া যাবে না, যা কিছু খাবেন, নরম ও ঠান্ডা করে খাবেন। জোরে কুলি ও ব্রাশ করবেন না এবং জিহ্বা দিয়ে ক্ষতস্থানে নাড়াচাড়া করা যাবে না। এতে জমাট বাঁধা রক্ত গলে ফের রক্তপাত হতে পারে।

২৪ ঘণ্টা পর থেকে পরবর্তী এক সপ্তাহ: দাঁত ফেললে যে গর্ত তৈরি হয় (যদিও তা কিছুদিন পর এমনিতেই ভরাট হয়ে যায়), সেখানে খাবার জমে সেকেন্ডারি ইনফেকশন হওয়ার সুযোগ থাকে। তাই ২৪ ঘণ্টা পর থেকে জোরে জোরে কুলি করতে হবে, যাতে সেখানে কোনোভাবেই খাবার জমতে না পারে। হালকা গরম পানিতে লবণ দিয়ে ছয় থেকে সাতবার, সঙ্গে মাউথওয়াশ দিয়ে দুই বার কুলি করবেন। এ সময় ধূমপান করা যাবে না এবং যারা ওরাল কন্ট্র্রাসেপটিভ পিল ব্যবহার করেন, তা বন্ধ রাখতে হবে। সে সময় ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ খাবার খাবেন, যা দ্রুত মাড়ি সেরে উঠতে সহায়তা করে।

দাঁত ওঠানোর পর অ্যানেসথেসিয়ার কারণে মুখের কিছু অংশ ভারী ভারী মনে হওয়া বা ফুলে যাওয়া, থুথুর সঙ্গে অল্প অল্প রক্ত আসা স্বাভাবিক। দুই থেকে তিন দিনের মাথায় সেটি সেরে যায়। সঙ্গে সঙ্গে আপনার ডেন্টাল সার্জন অ্যান্টিবায়োটিক ও ব্যথানাশকসহ যে ব্যবস্থাপত্র দেবেন, সেটা পুরোপুরি অনুসরণ করতে হবে।