ঢাকা ০৩:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
খুলনা আর্ট একাডেমির ঐতিহ্য সংরক্ষণশালায় শিক্ষার্থী চারুলতা ঢালীর অনন্য উপহার গোয়াইনঘাটে বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রম মুক্ত উপজেলা গঠনে অগ্রগতি সহভাগিতা সভা অনুষ্ঠিত কবিতাঃ যাত্রাপথে আতঙ্ক গোয়াইনঘাটে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন: জমি রক্ষায় দুই গ্রামবাসীর মানববন্ধন খুলনা আর্ট একাডেমির শিক্ষার্থী সপ্তসী রায় জন্মাষ্টমীর চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় সাফল্য অর্জন রাসুল (সা.)সুন্নাহ অনুসরণেই দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ নিহিত- সীরতুন্নবী মাহফিলের ১৬তম দিবসে বক্তারা তফসিলের আগেই দৌড়ঝাঁপ:ক্ষেতলাল, বড়াইলের চেয়ারম্যান হতে গ্রামবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন মুর্শিদ খুলনা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের নবাগত উপপরিচালকের সঙ্গে সিইউসি পরিবারের সৌজন্য সাক্ষাৎ চারুকলায় অবদানের স্বীকৃতি: গুণীজন সম্মাননা পেলেন চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস অডিট আপত্তি মানেই দুর্নীতি নয়, বাংলাদেশ রেলওয়ে সোসাইটি

ডাক অধিদপ্তরের আওতাধীন সকল কার্যালয় ও পোস্ট অফিসকে ধূমপান ও তামাকমুক্ত ঘোষণা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০৭:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬ ১৪৫ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
২৩৪

 

বিশেষ প্রতিনিধি:
জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে অধূমপায়ীদের রক্ষা করতে ডাক অধিদপ্তরের আওতাধীন সকল কার্যালয় ও পোস্ট অফিসকে সম্পূর্ণ ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যমুক্ত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করেছে ডাক অধিদপ্তর কর্তৃপক্ষ।

আজ বুধবার (২৯ জুলাই), ডাক অধিদপ্তরের সভাকক্ষে আয়োজিত ’টেকসই তামাক নিয়ন্ত্রণ উদ্যোগ: ডাক অধিদপ্তরের আওতাধীন সকল কার্যালয় ও পোস্ট অফিসকে ধূমপান ও তামাকমুক্ত ঘোষণা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা প্রদান করেন ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলাম। ঘোষণায় জানানো হয়, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০০৫ (সংশোধন ২০২৬) অনুযায়ী পাবলিক প্লেসসমূহে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এই আইন প্রতিপালন তথা জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য ডাক অধিদপ্তরের আওতাধীন সকল কার্যালয় ও পোস্ট অফিসসমূহে ধূমপান ও যেকোনো ধরনের তামাকজাত দ্রব্যের ক্রয়-বিক্রয় ও ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে, যাতে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আগত সেবাপ্রার্থীরা পরোক্ষ ধূমপানের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত না হন। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মিজ বিলকিস জাহান রিমি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব শেখ মোমেনা মনি।

সভায় জানানো হয়, গ্লোবাল এডাল্ট টোব্যাকো সার্ভে (গ্যাটস, ২০১৭) অনুযায়ী, ধূমপান না করেও গণপরিবহন, রেস্টুরেন্ট ও পাবলিক প্লেসে (সম্মিলিতভাবে জনব্যবহার্য স্থান) পরোক্ষ ধূমপানে আক্রান্ত হন ৩ কোটি ৮৪ লাখ মানুষ। টোব্যাকো এটলাস ২০২৫ এর তথ্যমতে, তামাক ব্যবহারজনিত রোগে বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ২ লক্ষ মানুষ মৃত্যু বরণ করে, পঙ্গুত্ব বরণ করে আরো কয়েক লক্ষ মানুষ।

এই প্রেক্ষাপটে ২০২৬ সালে ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০০৫ (সংশোধন ২০২৬) আইন পাস করা হয়। এই আইনে পাবলিক প্লেস এবং সকল যান্ত্রিক ও অযান্ত্রিক পরিবহনে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিষিদ্ধ।

উল্লেখ্য, ২০২৬ সালে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান তার প্রদত্ত বাণীতে ‘তামাক ‍ও নিকোটিনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে শিশু-কিশোর ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখার বিষয়ে সরকার বদ্ধপরিকর’ বলে উল্লেখ করেছেন। তাই পাবলিক প্লেস এবং সকল যান্ত্রিক ও অযান্ত্রিক পরিবহনে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিষিদ্ধ করা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মিজ বিলকিস জাহান রিমি বলেন যে, তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব শুধু ব্যক্তির স্বাস্থ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি পরিবার, কর্মক্ষেত্র, পরিবেশ এবং সামগ্রিক জাতীয় উন্নয়নের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই তামাক নিয়ন্ত্রণকে বর্তমান সরকার জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করছে। তিনি আশা করেন যে, ডাক অধিদপ্তরের এই উদ্যোগ দেশের অন্যান্য সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে উঠবে।

সভাপতির বক্তব্যে ডাক অধিদপ্তরের মহপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলাম বলেন যে, ডাক অধিদপ্তরকে ধূমপান ও তামাকমুক্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঘোষণা শুধু একটি প্রশাসনিক ঘোষণা নয়; বরং একটি সুস্থ, নিরাপদ ও জনবান্ধব কর্মপরিবেশ গড়ে তোলার প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রকাশ। এই উদ্যোগের মাধ্যমে সারা দেশে ডাক অধিদপ্তরের আওতাধীন প্রায় ১০ হাজার ডাকঘরে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত হবে। একই সঙ্গে প্রতিদিন ডাকসেবাসহ বিভিন্ন সেবা গ্রহণে আগত লাখো সেবাগ্রহীতা ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষা পাবেন। সরকারি সেবা প্রতিষ্ঠানে তামাকমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এ উদ্যোগ একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে ।

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন নারী মৈত্রীর নির্বাহী পরিচালক শাহীন আক্তার ডলি, তামাকবিরোধী মায়েদের ফোরাম এর আহ্বায়ক ও সাবেক অতিরিক্ত সচিব শিবানী ভট্টাচার্য, তামাকবিরোধী ইয়ূথ ফোরামের প্রতিনিধি এবং ডাক অধিদপ্তরের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ। তারা সকলেই তামাকমুক্ত ও স্বাস্খ্যকর কর্মপরিবেশের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখপূর্বক এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ডাক অধিদপ্তরের আওতাধীন সকল কার্যালয় ও পোস্ট অফিসকে ধূমপান ও তামাকমুক্ত ঘোষণা

আপডেট সময় : ০৫:০৭:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
২৩৪

 

বিশেষ প্রতিনিধি:
জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে অধূমপায়ীদের রক্ষা করতে ডাক অধিদপ্তরের আওতাধীন সকল কার্যালয় ও পোস্ট অফিসকে সম্পূর্ণ ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যমুক্ত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করেছে ডাক অধিদপ্তর কর্তৃপক্ষ।

আজ বুধবার (২৯ জুলাই), ডাক অধিদপ্তরের সভাকক্ষে আয়োজিত ’টেকসই তামাক নিয়ন্ত্রণ উদ্যোগ: ডাক অধিদপ্তরের আওতাধীন সকল কার্যালয় ও পোস্ট অফিসকে ধূমপান ও তামাকমুক্ত ঘোষণা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা প্রদান করেন ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলাম। ঘোষণায় জানানো হয়, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০০৫ (সংশোধন ২০২৬) অনুযায়ী পাবলিক প্লেসসমূহে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এই আইন প্রতিপালন তথা জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য ডাক অধিদপ্তরের আওতাধীন সকল কার্যালয় ও পোস্ট অফিসসমূহে ধূমপান ও যেকোনো ধরনের তামাকজাত দ্রব্যের ক্রয়-বিক্রয় ও ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে, যাতে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আগত সেবাপ্রার্থীরা পরোক্ষ ধূমপানের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত না হন। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মিজ বিলকিস জাহান রিমি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব শেখ মোমেনা মনি।

সভায় জানানো হয়, গ্লোবাল এডাল্ট টোব্যাকো সার্ভে (গ্যাটস, ২০১৭) অনুযায়ী, ধূমপান না করেও গণপরিবহন, রেস্টুরেন্ট ও পাবলিক প্লেসে (সম্মিলিতভাবে জনব্যবহার্য স্থান) পরোক্ষ ধূমপানে আক্রান্ত হন ৩ কোটি ৮৪ লাখ মানুষ। টোব্যাকো এটলাস ২০২৫ এর তথ্যমতে, তামাক ব্যবহারজনিত রোগে বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ২ লক্ষ মানুষ মৃত্যু বরণ করে, পঙ্গুত্ব বরণ করে আরো কয়েক লক্ষ মানুষ।

এই প্রেক্ষাপটে ২০২৬ সালে ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০০৫ (সংশোধন ২০২৬) আইন পাস করা হয়। এই আইনে পাবলিক প্লেস এবং সকল যান্ত্রিক ও অযান্ত্রিক পরিবহনে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিষিদ্ধ।

উল্লেখ্য, ২০২৬ সালে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান তার প্রদত্ত বাণীতে ‘তামাক ‍ও নিকোটিনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে শিশু-কিশোর ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখার বিষয়ে সরকার বদ্ধপরিকর’ বলে উল্লেখ করেছেন। তাই পাবলিক প্লেস এবং সকল যান্ত্রিক ও অযান্ত্রিক পরিবহনে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিষিদ্ধ করা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মিজ বিলকিস জাহান রিমি বলেন যে, তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব শুধু ব্যক্তির স্বাস্থ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি পরিবার, কর্মক্ষেত্র, পরিবেশ এবং সামগ্রিক জাতীয় উন্নয়নের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই তামাক নিয়ন্ত্রণকে বর্তমান সরকার জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করছে। তিনি আশা করেন যে, ডাক অধিদপ্তরের এই উদ্যোগ দেশের অন্যান্য সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে উঠবে।

সভাপতির বক্তব্যে ডাক অধিদপ্তরের মহপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলাম বলেন যে, ডাক অধিদপ্তরকে ধূমপান ও তামাকমুক্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঘোষণা শুধু একটি প্রশাসনিক ঘোষণা নয়; বরং একটি সুস্থ, নিরাপদ ও জনবান্ধব কর্মপরিবেশ গড়ে তোলার প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রকাশ। এই উদ্যোগের মাধ্যমে সারা দেশে ডাক অধিদপ্তরের আওতাধীন প্রায় ১০ হাজার ডাকঘরে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত হবে। একই সঙ্গে প্রতিদিন ডাকসেবাসহ বিভিন্ন সেবা গ্রহণে আগত লাখো সেবাগ্রহীতা ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষা পাবেন। সরকারি সেবা প্রতিষ্ঠানে তামাকমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এ উদ্যোগ একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে ।

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন নারী মৈত্রীর নির্বাহী পরিচালক শাহীন আক্তার ডলি, তামাকবিরোধী মায়েদের ফোরাম এর আহ্বায়ক ও সাবেক অতিরিক্ত সচিব শিবানী ভট্টাচার্য, তামাকবিরোধী ইয়ূথ ফোরামের প্রতিনিধি এবং ডাক অধিদপ্তরের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ। তারা সকলেই তামাকমুক্ত ও স্বাস্খ্যকর কর্মপরিবেশের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখপূর্বক এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানান।