ঢাকা ০৩:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
খুলনা আর্ট একাডেমির ঐতিহ্য সংরক্ষণশালায় শিক্ষার্থী চারুলতা ঢালীর অনন্য উপহার গোয়াইনঘাটে বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রম মুক্ত উপজেলা গঠনে অগ্রগতি সহভাগিতা সভা অনুষ্ঠিত কবিতাঃ যাত্রাপথে আতঙ্ক গোয়াইনঘাটে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন: জমি রক্ষায় দুই গ্রামবাসীর মানববন্ধন খুলনা আর্ট একাডেমির শিক্ষার্থী সপ্তসী রায় জন্মাষ্টমীর চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় সাফল্য অর্জন রাসুল (সা.)সুন্নাহ অনুসরণেই দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ নিহিত- সীরতুন্নবী মাহফিলের ১৬তম দিবসে বক্তারা তফসিলের আগেই দৌড়ঝাঁপ:ক্ষেতলাল, বড়াইলের চেয়ারম্যান হতে গ্রামবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন মুর্শিদ খুলনা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের নবাগত উপপরিচালকের সঙ্গে সিইউসি পরিবারের সৌজন্য সাক্ষাৎ চারুকলায় অবদানের স্বীকৃতি: গুণীজন সম্মাননা পেলেন চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস অডিট আপত্তি মানেই দুর্নীতি নয়, বাংলাদেশ রেলওয়ে সোসাইটি

তাহিরপুরের ফাজিলপুর ঘাটের ইজারা নিয়েও সম্পূর্ণ দখল না পাওয়ার অভিযোগ ইজারাদার রেজুয়ানের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৪:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬ ৯৩ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
১৫৮

 

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের সীমান্তবর্তী তাহিরপুর উপজেলার ফাজিলপুর খেয়াঘাটটি জেলা পরিষদ থেকে বৈধভাবে ইজারা নিলেও ঘাটটির সম্পূর্ণ দখল এখনো পাচ্ছেন না ইজারাদার রেজুয়ান করিম। ফলে মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন তিনি।

জেলা পরিষদের মাধ্যমে ইজারা দেয়ার নীতিমালা অনুযায়ী ঘাটের অবস্থান থেকে উজানে ০১ মাইল ও ভাটিতে ০১ মাইলের ভিতরে কোন নতুন ঘাট সৃষ্টি করার নিয়ম না থাকলেও বালিজুরী ইউনিয়ন পরিষদের কাছ থেকে ইজারা আনার নামে মাহতাবপুরে একটি খেয়াঘাট সৃষ্টি করে যাত্রীদের কাছ থেকে টোল আদায় করছে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র। ফলে ঘাটটির সম্পূর্ণ দখল না পাওয়ায় চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন ইজারাদার রেজুয়ান করিম। প্রভাবশালী ওই চক্রকে ফাজিলপুর খেয়াঘাটের সীমানার ভিতরে থাকা মাহতাবপুর ঘাটটিতে টোল আদায় বন্ধ করার কথা বললে তারা ওই ইজাদারকে হুমকি ধামকি দিয়ে মারমুখী হয়ে আক্রমনের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ ঘাটের প্রকৃত ইজারাদারের।

কোন উপায় না পেয়ে তিনি জেলা পরিষদের শরনাপন্ন হলে পরিষদ থেকে সার্ভেয়ার গিয়ে ফাজিলপুর ঘাটের সীমানা নির্ধারণ করে লাল নিশান টাঙ্গিয়ে দিয়ে আসা হয় এবং যাতে ওই ঘাটটি থেকে টোল আদায় বন্ধ ও দ্রুত উচ্ছ্যেদ করা হয় সেই নির্দেশ দেন সার্ভেয়ার মোঃ এরশাদুল হক। তবে কোন কিছুর তোয়াক্কা না করে এখনো টোল আদায় করছে প্রভাবশালী এই চক্রটি।

উল্টো প্রতিপক্ষ ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বৈধভাবে ইজারা এনে যাত্রীদের কাছ থেকে টোল আদায় করছেন বলে জানান ইজারা নেয়া আরশাদুল হকের নিয়োগকৃত টোল আদায়কারী কর্মীরা।

এ বিষয়ে জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার মোঃ এরশাদুল হক বলেন, নীতিমালা অনুয়ায়ী ইজারা দেয়া ঘাটের অবস্থানের উজান ও ভাটি দুই দিকে দুই মাইলের ভিতরে কোন নতুন ঘাট সৃষ্টি করার নিয়ম নেই, যদি কেউ এটা করে তাহলে সম্পূর্ণ অবৈধ। আমি ফাজিলপুর ঘাটের সীমানা নির্ধারন করে দিয়ে এসেছি। যদি কেউ এ নির্দেশনা না মানে তাহলে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ ব্যাপারে বালিজুড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজাদ হোসেন জানান, গত ১০০ বছর ধরে মাহতাবপুর ঘাটটি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ইজারা দেয়া হচ্ছে। এরমধ্যে দুই বছর জোরপূর্বক এই ঘাটটি জেলা পরিষদ ইজারা দিয়েছিলো। এখন আবার ইউনিয়ন পরিষদ ঘাটটি ইজারা দিয়েছে।

এ ব্যাপারে স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক অসীম চন্দ্র বনিকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

তাহিরপুরের ফাজিলপুর ঘাটের ইজারা নিয়েও সম্পূর্ণ দখল না পাওয়ার অভিযোগ ইজারাদার রেজুয়ানের

আপডেট সময় : ০৮:৫৪:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
১৫৮

 

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের সীমান্তবর্তী তাহিরপুর উপজেলার ফাজিলপুর খেয়াঘাটটি জেলা পরিষদ থেকে বৈধভাবে ইজারা নিলেও ঘাটটির সম্পূর্ণ দখল এখনো পাচ্ছেন না ইজারাদার রেজুয়ান করিম। ফলে মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন তিনি।

জেলা পরিষদের মাধ্যমে ইজারা দেয়ার নীতিমালা অনুযায়ী ঘাটের অবস্থান থেকে উজানে ০১ মাইল ও ভাটিতে ০১ মাইলের ভিতরে কোন নতুন ঘাট সৃষ্টি করার নিয়ম না থাকলেও বালিজুরী ইউনিয়ন পরিষদের কাছ থেকে ইজারা আনার নামে মাহতাবপুরে একটি খেয়াঘাট সৃষ্টি করে যাত্রীদের কাছ থেকে টোল আদায় করছে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র। ফলে ঘাটটির সম্পূর্ণ দখল না পাওয়ায় চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন ইজারাদার রেজুয়ান করিম। প্রভাবশালী ওই চক্রকে ফাজিলপুর খেয়াঘাটের সীমানার ভিতরে থাকা মাহতাবপুর ঘাটটিতে টোল আদায় বন্ধ করার কথা বললে তারা ওই ইজাদারকে হুমকি ধামকি দিয়ে মারমুখী হয়ে আক্রমনের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ ঘাটের প্রকৃত ইজারাদারের।

কোন উপায় না পেয়ে তিনি জেলা পরিষদের শরনাপন্ন হলে পরিষদ থেকে সার্ভেয়ার গিয়ে ফাজিলপুর ঘাটের সীমানা নির্ধারণ করে লাল নিশান টাঙ্গিয়ে দিয়ে আসা হয় এবং যাতে ওই ঘাটটি থেকে টোল আদায় বন্ধ ও দ্রুত উচ্ছ্যেদ করা হয় সেই নির্দেশ দেন সার্ভেয়ার মোঃ এরশাদুল হক। তবে কোন কিছুর তোয়াক্কা না করে এখনো টোল আদায় করছে প্রভাবশালী এই চক্রটি।

উল্টো প্রতিপক্ষ ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বৈধভাবে ইজারা এনে যাত্রীদের কাছ থেকে টোল আদায় করছেন বলে জানান ইজারা নেয়া আরশাদুল হকের নিয়োগকৃত টোল আদায়কারী কর্মীরা।

এ বিষয়ে জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার মোঃ এরশাদুল হক বলেন, নীতিমালা অনুয়ায়ী ইজারা দেয়া ঘাটের অবস্থানের উজান ও ভাটি দুই দিকে দুই মাইলের ভিতরে কোন নতুন ঘাট সৃষ্টি করার নিয়ম নেই, যদি কেউ এটা করে তাহলে সম্পূর্ণ অবৈধ। আমি ফাজিলপুর ঘাটের সীমানা নির্ধারন করে দিয়ে এসেছি। যদি কেউ এ নির্দেশনা না মানে তাহলে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ ব্যাপারে বালিজুড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজাদ হোসেন জানান, গত ১০০ বছর ধরে মাহতাবপুর ঘাটটি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ইজারা দেয়া হচ্ছে। এরমধ্যে দুই বছর জোরপূর্বক এই ঘাটটি জেলা পরিষদ ইজারা দিয়েছিলো। এখন আবার ইউনিয়ন পরিষদ ঘাটটি ইজারা দিয়েছে।

এ ব্যাপারে স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক অসীম চন্দ্র বনিকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।