ঢাকা ১২:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পরিচালনায় পটুয়াখালীতে মানসম্মত নার্সিং ও বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং আজ ফনিন্দ্র সরকারের ৬৯তম জন্মদিন গলাচিপায় ৩ কোটি ৮৩ লাখ টাকার উন্নয়ন প্রকল্পে প্রশ্ন: কাগজে কাজ, বাস্তবে মিলছে না একাধিক প্রকল্পের অস্তিত্ব হ্যান্ডরাইটিং এসোসিয়েশন-এর খুলনা বিভাগের সভাপতি হিসেবে ধনঞ্জয় রায়কে খুলনা আর্ট একাডেমির পক্ষ থেকে অভিনন্দন অপরাধের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান, সুনামগঞ্জে আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন ওসি রতন শেখ পিপিএম আমেরিকান প্রবাসী আনছারুল ইসলামের ফেইসবুক পোষ্ট নিয়ে বিব্রত উত্তরবঙ্গবাসী জনসেবার অঙ্গীকারে চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতিতে সমাজসেবক ও ইন্জিনিয়ার আহসানুল কবির আকন জগন্নাথপুরে ঘরজামাই ইমরান মোল্লার মিথ্যা মামলায় জামিনে মুক্তি পেলেন সাংবাদিক ইয়াকুব মিয়া পটুয়াখালীতে বিধবা নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা ডাক অধিদপ্তরের আওতাধীন সকল কার্যালয় ও পোস্ট অফিসকে ধূমপান ও তামাকমুক্ত ঘোষণা

আইন উপেক্ষা করে দাপটের সঙ্গে পদ ধরে রেখেছেন শহীদবাগ ইউপি চেয়ারম্যান; স্থানীয়দের ক্ষোভ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১৬:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬ ৭২ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
১০৫

 

নিজস্ব সংবাদদাতা:,

রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার ৪ নম্বর শহীদবাগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হান্নানের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা, দীর্ঘ সময় কারাভোগ এবং টানা অনুপস্থিতির পরও প্রভাব খাটিয়ে চেয়ারম্যানের দাপট বজায় রাখার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।

কাউনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের স্মারক নং–৮৭৯ ও ১০২৮–এর তথ্য অনুযায়ী, চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা থাকায় এবং তিনি ইউনিয়ন পরিষদের ধারাবাহিক তিনটি মাসিক সাধারণ সভায় অনুপস্থিত থাকায় স্থানীয় সরকার আইন অনুযায়ী তাঁর দায়িত্ব পালনে জটিলতা সৃষ্টি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রথমে মো. ফারুক হোসেনকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরবর্তীতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মো. আনোয়ারুল ইসলামকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

তবে স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, দীর্ঘ সময় কারাভোগের পর জামিনে মুক্ত হয়ে আব্দুল হান্নান আবারও এলাকায় সক্রিয় হয়েছেন এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম ও স্থানীয় প্রশাসনিক বিষয়ে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন। যদিও প্রশাসনিকভাবে দায়িত্ব অন্যদের ওপর ন্যস্ত রয়েছে, তবুও বাস্তবে তাঁর প্রভাব অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত থাকা সত্ত্বেও চেয়ারম্যান হিসেবে আব্দুল হান্নানের প্রভাব কমেনি। এতে ইউনিয়ন পরিষদের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।

সচেতন মহলের প্রশ্ন, ফৌজদারি মামলার একজন আসামি এবং দীর্ঘ সময় পরিষদের সভায় অনুপস্থিত থাকা সত্ত্বেও কীভাবে তিনি এখনও এলাকায় চেয়ারম্যানের প্রভাব বজায় রাখছেন। তাঁদের মতে, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের স্বচ্ছ তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।

এ বিষয়ে আব্দুল হান্নানের বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি স্থানীয় সরকার আইন ও প্রচলিত বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।

এলাকাবাসীর দাবি, ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও আইনের শাসন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আইন উপেক্ষা করে দাপটের সঙ্গে পদ ধরে রেখেছেন শহীদবাগ ইউপি চেয়ারম্যান; স্থানীয়দের ক্ষোভ

আপডেট সময় : ০১:১৬:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
১০৫

 

নিজস্ব সংবাদদাতা:,

রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার ৪ নম্বর শহীদবাগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হান্নানের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা, দীর্ঘ সময় কারাভোগ এবং টানা অনুপস্থিতির পরও প্রভাব খাটিয়ে চেয়ারম্যানের দাপট বজায় রাখার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।

কাউনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের স্মারক নং–৮৭৯ ও ১০২৮–এর তথ্য অনুযায়ী, চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা থাকায় এবং তিনি ইউনিয়ন পরিষদের ধারাবাহিক তিনটি মাসিক সাধারণ সভায় অনুপস্থিত থাকায় স্থানীয় সরকার আইন অনুযায়ী তাঁর দায়িত্ব পালনে জটিলতা সৃষ্টি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রথমে মো. ফারুক হোসেনকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরবর্তীতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মো. আনোয়ারুল ইসলামকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

তবে স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, দীর্ঘ সময় কারাভোগের পর জামিনে মুক্ত হয়ে আব্দুল হান্নান আবারও এলাকায় সক্রিয় হয়েছেন এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম ও স্থানীয় প্রশাসনিক বিষয়ে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন। যদিও প্রশাসনিকভাবে দায়িত্ব অন্যদের ওপর ন্যস্ত রয়েছে, তবুও বাস্তবে তাঁর প্রভাব অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত থাকা সত্ত্বেও চেয়ারম্যান হিসেবে আব্দুল হান্নানের প্রভাব কমেনি। এতে ইউনিয়ন পরিষদের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।

সচেতন মহলের প্রশ্ন, ফৌজদারি মামলার একজন আসামি এবং দীর্ঘ সময় পরিষদের সভায় অনুপস্থিত থাকা সত্ত্বেও কীভাবে তিনি এখনও এলাকায় চেয়ারম্যানের প্রভাব বজায় রাখছেন। তাঁদের মতে, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের স্বচ্ছ তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।

এ বিষয়ে আব্দুল হান্নানের বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি স্থানীয় সরকার আইন ও প্রচলিত বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।

এলাকাবাসীর দাবি, ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও আইনের শাসন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।