মোঃ নাসির উদ্দিন, বিশেষ প্রতিনিধি, পটুয়াখালী:

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার ২নং গোলখালী ইউনিয়নের সুপরিচিত ও সবার শ্রদ্ধাভাজন আলোকবর্তিকা মরহুম আবুল হোসেন স্যারের স্মৃতি আজও মানুষের হৃদয়ে অম্লান। হরিদেবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক হিসেবে তিনি শুধু শিক্ষার আলোই ছড়িয়ে দেননি, সততা, আদর্শ ও মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। তাঁর সেই মহৎ আদর্শকে বুকে ধারণ করে সমাজসেবার পথেই এগিয়ে চলেছেন তাঁর সুযোগ্য সন্তান ইঞ্জিনিয়ার আহসানুল কবির। স্থানীয়ভাবে ব্যাপক পরিচিত এই সমাজসেবক আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ইতোমধ্যে ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় ও গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। তাঁর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে অনেকেই আশাবাদ ব্যক্ত করছেন। দীর্ঘদিন ধরে ইঞ্জিনিয়ার আহসানুল কবির নীরবে-নিভৃতে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি বিভিন্ন সময় মসজিদ, মাদ্রাসা ও মন্দিরে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন। অসহায়, দরিদ্র ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে ব্যক্তিগত উদ্যোগে দাঁড়িয়ে মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। প্রচারের আলো থেকে দূরে থেকেও মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর এই প্রয়াস তাঁকে সাধারণ মানুষের কাছে আস্থার প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। শুধু সামাজিক ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডেই নয়, ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নেও রয়েছে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান। ইউনিয়নের বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, যুবসমাজের ইতিবাচক কর্মকাণ্ড এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের নানা উদ্যোগে তিনি নিয়মিত সহযোগিতা করে আসছেন। তরুণদের স্বপ্ন দেখাতে ও সুস্থ সমাজ গঠনে তাঁর আন্তরিকতা স্থানীয়দের প্রশংসা কুড়িয়েছে। চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার বিষয়ে ইঞ্জিনিয়ার আহসানুল কবির বলেন, “গোলখালী ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষই আমার পরিবারের সদস্য। জনগণ যদি আমাকে তাদের সেবা করার সুযোগ দেন, তাহলে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে একটি আধুনিক, মানবিক ও জনবান্ধব ইউনিয়ন গড়ে তুলতে কাজ করব। মানুষের সুখ-দুঃখের সাথী হয়ে সবসময় পাশে থাকতে চাই। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, প্রয়াত প্রধান শিক্ষক মরহুম আবু হোসেন স্যারের আদর্শ, সততা ও জনসেবার যে উত্তরাধিকার তিনি রেখে গেছেন, তাঁর সুযোগ্য সন্তান ইঞ্জিনিয়ার আহসানুল কবির সেই ঐতিহ্যকে আরও সমৃদ্ধ করবেন। জনকল্যাণে নিবেদিত এই পথচলা আগামী দিনের গোলখালী ইউনিয়নের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে এমন বিশ্বাস অনেকের।